পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৬৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চম অধ্যায় 89 সমর্থন করিলেন । তথাপি গোবিন্দ বিজয়ী হইলেন । পরাজিত মোগলসৈন্সের পলায়ন করিয়া প্রাণরক্ষা করিল। বিজয়ী গোবিন্দ সিংহের অধিকার দিন দিন বাড়িতে লাগিল । মাধোয়াল হইতে শতদ্রুর তীরবর্তী রুপুর পর্যান্ত ভূভাগের তিনি অধিকারী হইলেন। পাৰ্ব্বত্য প্রদেশের রাজারা শক্তিশালী গোবিন্দ সিংহের ভয়ে ভীত হইয়া পড়িলেন। তাহারা সকলে মিলিত হইয়া একপত্রে সম্রাটু আরংজীবের নিকট প্রার্থন জানাইলেন যে, গুরু গোবিন্দ তাহীদের অধিকৃত কতকগুলি স্থান বলপূৰ্ব্বক কাড়িয়া লইয়াছেন, অতএব তাহার আক্রমণ হইতে সম্রাট্র অধীন রাজাদিগকে রক্ষা করুন । গুরুগোবিন্দ পাৰ্ব্বত্যরাজাদিগকে সাহায্য করিয়াছিলেন, এই ংবাদ শ্রবণ করিয়া আরংজীব পূৰ্ব্বেই গুরু গোবিন্দকে উপযুক্ত শাস্তিপ্রদানের জন্য একদল সৈন্য প্রেরণ করিয়াছিলেন । এই মোগল সৈন্তাকেও শিখগুরু পরাস্ত করিয়াছিলেন। এক্ষণে পাৰ্ব্বত্য রাজাদের পত্র পাইয়া সম্রাটের ক্রোধের সীমা রহিল না। তিনি লাহোরে ও সিরহিন্দের শাসনকর্তৃদ্বয়কে অবিলম্বে গুরু গোবিন্দের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করিতে আদেশ করিলেন ৭ কেহ কেহ বলেন, সম্রাটের পুত্র বাহাদুর সাহও সসৈন্তে প্রেরিত হইয়াছিলেন । এবার গুরু গোবিন্দের বিকদ্ধে বিরাটবাহিনী সজ্জিত হইয়াছে। লাহোর ও সিরহিন্দের শাসনকৰ্ত্তারা অসংখ্য সৈন্তসহ পাৰ্ব্বত্য প্রদেশে উপস্থিত হইলেন । তত্ৰত্য রাজারাও আপন আপন সৈন্তসহ তাহীদের সহিত মিলিত হইলেন। সমবেত সৈন্যদল আনন্দপুর অভিমুখে যাত্রা করিল। গোবিন সিংহ মাথোয়াল ফুর্গ মধ্যে অবরুদ্ধ হইলেন । এইরূপ ভীষণ আক্রমণেও তিনি হতোষ্ঠম হইলেন না । তুর্গ-প্রাচীরের বহির্ভাগে সাত মাস কাল যুদ্ধ চলিতেছিল। তিনি অসাধারণ বীরত্ব প্রকাশ করিয়াও এবার কিছুতেই