পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চম অধ্যায় (ty একে দশজন গুরুকর্তৃক পবিত্র সত্যধৰ্ম্ম প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে, গুরুদের কার্য্য শেষ হইয়াছে—আমি অবিনশ্বর পরব্রহ্মের হস্তে খালসাসম্প্রদায় সমর্পণ করিয়া যাইতেছি। যদি কেহ গুরুর দর্শন পাইতে চাহ তাহাকে গ্রন্থ-সাহেব অনুসন্ধান করিতে হইবে, গুরু খালসাসম্প্রদায়ের সহিত নিত্যকাল বাস করিবেন ; তোমাদের বিশ্বাস অটল হউক, যেখানে পাঁচজন বিশ্বাসী শিখ মিলিত হইবে, সেখানেই গুরুর আবির্ভাৰ হইবে, জানিও।” পুণা-সলিলা গোদাবরী নদীর তীরে নাদের নামক স্থানে আটচল্লিশ বৎসর বয়সে গুরু গোবিন্দ মানবলীলা সংবরণ করেন। তাহার আদেশ মতে শিষ্যেরা নববস্ত্রে সুসজ্জিত করিয়া অস্ত্রশস্ত্র সহ গুরুকে দগ্ধ করিয়াছিল। গুরু গোবিন্দ যে মহান অভিলাষ হৃদয়ে পোষণ করিতেন এবং যে বৃহৎ অনুষ্ঠানের আয়োজন করিতেছিলেন তাহার অকালমৃত্যুতে সে আশা ও আয়োজন অপূর্ণ রহিয়া গেল। তথাপি তাহার জীবন বার্থ হয় নাই। তিনি শিখসম্প্রদায়কে নবজীবন দান করিয়াছিলেন তিনি পুরাতন শিখধষ্মের সংস্কার করিয়া তাহাকে নুতন আকার দান করিয়াছিলেন এবং সম্প্রদায়ের পরিচালনার নিমিত্ত নূতন নূতন ব্যবস্থা প্রণয়ন করিয়াছিলেন । তিনি তাহার পুণ্যময় জীবনে যে অদম্য অধ্যবসায়, অসীম সহিষ্ণুতা ও অতুলনীয় বীরত্বের পরিচয় প্রদান করিয়াছেন তৎসমুদায় স্মরণ করিয়া আঞ্জপর্যন্ত প্রত্যেক শিখ তাহাকে আন্তরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শন করিয়া থাকেন। তিনি যে অসাধারণ ব্যক্তি ছিলেন তাহা অস্বীকার করিবার যে নাই। অতুলনীয় প্রতিভাবলে তিনি পতিত জাঠদিগকে টানিয়া তুলিয়া একটা শক্তিশালী সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি যেমন ধৰ্ম্মপ্রাণ তেমনই যুদ্ধবিশারদ i