পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৮১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


वर्छ अक्षाम्न 4 ώ নিৰ্ব্বিচারে বাল বৃদ্ধ ও রমণী সকলকে হত্যা করিয়া পৈশাচিক আননা লাভ করিয়াছিলেন । ধৰ্ম্মবীর গুরুগোবিন্দ কখনো এমন প্রতিহিংসাগ্রহণের কথা কল্পনাতেও আনিতে পারিতেন না । বন্দার ধৰ্ম্মবিরোধী শৌর্য্য শিখসম্প্রদায়ের কোনো উপকার সাধন করিয়াছে কি না তাহ বিচাৰ্য্য । যুদ্ধক্ষেত্রে বন্দ কিছুকাল শিখদিগের নায়ক ছিলেন, ধৰ্ম্মক্ষেত্রে কেহ কোনো কালে তাহাকে নায়ক বলিয়। সন্মান করে নাই । বাবা নানক ও গোবিন্দ সিংহের উদারতা তাহাতে ছিল না ; তিনি তাহার সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণ বুদ্ধিদ্বারা তাহাদের প্রচারিত উদার ধৰ্ম্মে পরিবর্তন আনয়নের চেষ্টা করিয়াছিলেন। তিনি খাটি শিখ ছিলেন বলিয়া মনে হয় না ; তাহার আচরণ কিয়ৎপরিমাণে গৃহত্যাগী হিন্দু উদাসীনের তুল্য ছিল। প্রচলিত শিখ ধৰ্ম্মের নিয়ম পরিবর্তনে তিনি যখনই চেষ্টা করিতেন নিষ্ঠাবান শিখেরা তখনই তাহার বিরুদ্ধে দাড়াইতেন। সাক্ষাৎকার কালে শিখেরা পরস্পরকে— SgBS BBB BB BBS BBBBS BBBB BBBS BB K BBBB বাক্য বদলাইয়া—‘ফতে ধৰ্ম্ম ফতে দর্শন’ বাক্য চালাইবার চেষ্টা করিয়া বিফল মনোরথ হন। যে ক্ষেত্রে তাহার কিছুমাত্র প্রতিভা ছিল না সে ক্ষেত্রেও স্বীয় প্রাধান্ত স্থাপন করিতে গিয়া তিনি অপদস্থ হইতেন । এই সব কারণে বন্দী শিখদিগের বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিতে পারেন নাই। যাহা হউক, বীরত্বে বন্দ অতুলনীয় ছিলেন। তাহার জীবিত্তকালে মোগলের মাথা তুলিতে পারে নাই। বন্দার মৃত্যুর পরে শিখসম্প্রদায়ের উপর ঘোর নির্য্যাতন আরম্ভ হইল। বহুসংখ্যক শিখ ধৃত হইয়া নির্দয়স্কপে নিহত হইল। অল্প বিশ্বাসীরা প্রাণভয়ে ধৰ্ম্মাস্তুর