পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भार्श्वेष त्रश्रृंव्र لا يع \ স্বীয় প্রতিভা বলে নানা বিরোধ, বৈষম্য ও বিদ্রোহের মধ্যে নির্ভীকভাবে শাসনদও পরিচালনা করিয়াছিলেন। তাহার পরবর্তী মোগল সম্রাটদিগের কোন ক্ষমতা ছিল না, তাহার নামমাত্র সম্রাটু ছিলেন । ১৭৩৭ খৃষ্টান্ধে পেশওয়ে বাজীরাও দিল্লী আক্রমণ করেন । র্তাহার ভয়ে দিল্লীশ্বর কম্পিত হইয়াছিলেন । অল্প কয়েক বৎসরমধ্যে লঙ্কে,হায়দরাবাদ ও বঙ্গদেশে শক্তিশালী মুসলমান নায়কের স্বাধীন রাজ্য স্থাপন করেন। রোহিলখণ্ডের আফগানেরা এবং ভরতপুরের জাঠেরও সদৰ্পে মাথা তুলিয়া উঠিল। পারস্তের বিজয়ী নায়কের দিল্লী নগরে অপরিমিত ধনরত্ব লুণ্ঠন করিয়া স্বদেশকে সমৃদ্ধ করিয়া তুলিতেছিলেন। মোগল-রাজ-শক্তি ক্রমে ক্রমে সঙ্কুচিত হইয়া বিলুপ্তপ্রায় হইল। ভারতবর্ষের উক্তরূপ অবস্থা শিখদের অভূথানের পক্ষে অনুকূল হইয়া দাড়াইল । আবদুল সম্মদ ধী ও তাহার হীনবল বংশধরগণের শাসনকালে শিখের শাস্তুভাবে আপনাদের পল্লীগুলিতে নিরাপদে বাস করিতেছিল। কেহ কেহ অরণ্যে বাস করিয়া দমাবৃত্তি করিত। শিখদের এই সময়কার অবস্থা শোচনীয় হইলেও তাহার শুরু নানকের মধুর ধৰ্ম্মকথা, গোবিন সিংহের উত্তেজনাপূর্ণ উপদেশ ও উদারতা বিশ্বত হয় নাই। তাহাদের উপদেশগুলি সাধারণের মনে মুদ্রিত হইয়৷ গিয়াছিল। কৃষক ও শিল্পিগণ গোপনে ধৰ্ম্ম-আলোচনা করিক্ত ; তেজস্বী উন্নত শিখদিগের মনে অদূরবর্তী অভূথান ও প্রতিহিংসার বাসনা নিরস্তুর জলিতেছিল। নাদীর সাহের ভারত-আক্রমণের সময়ে শিখের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত ছিল। তখন তাহারা বিজয়ী পারসিক সৈন্যদিগের লুঙ্গিত ধন এবং নগরবাসী ধনবানদিগের অর্থসম্পত্তি লুণ্ঠন করিত। এইরূপ