প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/১৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>Wセ(? শেষ প্রশ্ন অকিঞ্চনতার ইস্কুল খুলে তাদের ত্যাগের গ্র্যাডুয়েট তৈরি করতে হয়নি । সতীশ হতবুদ্ধি হইয়া প্রশ্ন করিল, দেশের যুক্তি-সংগ্রামে কি ধর্মের সাধনা, ত্যাগের দীক্ষা প্রয়োজনীয় নয় আপনি বলেন ? কমল কহিল, মুক্তি-সংগ্রামের অর্থটা আগে পরিস্কার হৌকৃ। সতীশ ইতস্ততঃ করিতে লাগিল, কমল হাসিয়া বলিল, ভাবে বোধহয় আপনি বিদেশী রাজশক্তির বন্ধন মোচনকেই দেশের মুক্তিসংগ্রাম বল্‌চেন । তা যদি হয়, সতীশবাবু, আমি নিজে তো ধৰ্ম্মের সাধনাও করিনি, ত্যাগের দীক্ষাও নিইনি, তবুও আমাকে ঠিক সাম্নের দলেই পাবেন এ আপনাকে আমি কথা দিলাম। কিন্তু আপনাদের খুজে পাবো ত ? সতীশ কথা কহিলনা, কেমন একপ্রকার যেন” ব্যস্ত হইয়া উঠিল, এবং তাহারই চঞ্চল দৃষ্টির অনুসরণ করিতে গিয়া কমল কিছুক্ষণের জন্য চক্ষু ফিরাইতে পারিলন। এই লোকটিই রাজেন্দ্র। কখন নিঃশব্দে আসিয়া দ্বারের কাছে দাড়াইয়াছিল সতীশ ভিন্ন আর কেহ লক্ষ্য করে নাই । সে আচ্ছন্নের ন্যায় নিম্পলক চক্ষে এতক্ষণ তাহারই প্রতি চাহিয়াছিল, এখনও ঠিক তেমনি করিয়াই চাহিয়া রহিল। ইহার চেহারা একবার দেখিলে ভোলা কঠিন। বয়স বোধকরি পচিশ ছাব্বিশ ,হইবে, রঙ অতিশয় ফসী, হঠাৎ দেখিলে অস্বাভাবিক বলিয়া মনে হয় । প্রকাণ্ড কপাল, সুমুখের দিকটায় এই বয়স্নেই টাকের মত হইয়া টের বড়ু দেখাইতেছে, চোখ গভীর এবং অতিশয় ক্ষুদ্ৰ—এন্ধকার গৰ্ত্ত হইতে ইদুরের চোখের মত জলিতেছে, নীচেকার পুরু মোটা ঠোট সুমুখে ঝুঁকিয়া যেন অন্তরের সুকঠোর সঙ্কল্প কেনমতে চাপু দিয়া আছে । হঠাৎ দৈখিলে ভয় হয় এই মাকুষটাকে এড়াইয়া চলাই ভালো । இ