পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/১৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ꮌ ᏄᎼ শেষ প্রশ্ন কে আর অাছে বল ? ডাক্তার এসে দেখে শুনে গেছেন, আমাকে শুতে পাঠিয়ে মণি নিজেই জেগে বসে আছে। কিন্তু ঘুমোতে পারলাম না । তোমার আসতে দেরী হতে লাগলো,—কমল, মানুষের রোগের সময়েও কি অভিমান রাখতে আছে ? * ঝগড়া-বাটি যে হয় না তা’ নয়, কিন্তু তিন চার দিন কোথায় কোন বাসায় গিয়ে সে যে জরে পড়েচে একটা খবর পর্য্যন্ত তো নাওনি ? ছি, এ কাজ ভালো হয়নি, এখন একলা তোমাকেই তো ভুগতে হবে। - শুনিয়া কমল বিস্মিত হইল, কিন্তু বুঝিল, এই সরল-চিত্ত ব্যক্তিটি ভিতরের কোন কথাই জানেননা । সে চুপ করিয়া রছিল, আগুবাবু তাহার অভিমান শান্ত করিবার বাসনায় বলিতে লাগিলেন, হরেনবাবুর মুখে শুনলাম তুমি বাড়ী নেই, তখনই বুঝেচি অজিত তীেমাকে ছাড়ে নি। নিজে সে ভয়ানক ঘুরতে ভালোবাস, তোষাকেও ধরে নিয়ে গেছে। কিন্তু ভাবে তো অন্ধকারে হঠাৎ একটা দুর্ঘটনা হলে তোমরা কি বিপদেই পড়তে। ” অজিতের বুকের উপর হইতে যেন পাযাণ নামিয়া গেল। কোন কিছুর মন্দ দিকটা যেন এই মানু্যটির মধ্যে ঢুকিতেই চায় না, নিষ্কলুষ অন্তর অনুক্ষণ অকলঙ্ক শুভ্রতায় ধপ ধপ করিতেছে । স্নেহ ও শ্রদ্ধায় সে মনে মনে র্তাহাকে নমস্কার করিল। কিন্তু, কমল তাহার সকল কথাম্ব কান দেয় নাই, হয়ত প্রয়োজনও বোধ করে নাই, জিজ্ঞাসা করিল, উনি হাসপাতালে না গিয়ে এখানে এলেন কেন ? আপ্তবাবু আশ্চৰ্য্য হইয়া কহিলেনু হাসপাতাল ? তবেই তো তোমার রুগ এখনো পড়েনি । রাগের জন্যে ব্ললচিনে আণ্ডবাবু, যেটা সঙ্গত এবং স্বাভাবিক তাই শুধু বলুচি।