পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/৩২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষ প্রশ্ন ' سادع বস্তু নয়, ও একটা মনের লীলা—তাকে বাধার দরকার। সীমা মেনে, চলাই তো সংযম,—শক্তির স্পৰ্দ্ধায় সংযমের সীমাকৃেও ডিঙিয়ে যাওয়া সস্তব । তখন আর তাকে সে মর্য্যাদা দেওয়া চলে না । অতি-সংযম যে আর এক ধরণের অসংযম, এ কথা কি কোন দিন ভেবে দেখেননি আশুবাবু? • * ভেবে দেখিনি সত্যি। তাই, চিরদিনের ভেবে-আসা কথাটাই খপ কোরে মনে পড়লো । বোল্লাম, ও কেবল তোমার কথার ভোজবাজি। সেই ভোগের ওকালতিতেই পরিপূর্ণ। মানুষ যতই আকৃড়ে ধ'রে গ্রাস ক’রে ভোগ করতে চায় ততই সে হারায় । তার ভোগের ক্ষুধা, তো মেটেনা,—অতৃপ্তি নিরন্তর বেড়েই চলে। তাই আমাদের শাস্ত্রকারেরা বলে গেছেন ও-পথে শান্তি নেই, তৃপ্তি নেই, মুক্তির আশা বৃথা । তারা বলেছেন,—ন জাতুকামঃ কামানামুপভোগেন শাম্যতি । হবিষা কৃষ্ণুয়েব ভূয় এবাতিবৰ্দ্ধতে ॥ আগুনে ঘি দিলে যেমন বেশি জলে ওঠে, তেমনি উপভোগের দ্বারা বামনা বাড়ে বৈ কোনদিন কমেনা । হরেন্দ্র উদ্বিগ্ন হইয়া কছিল, তার কাছে শাস্ত্রবাক্য বলতে গেলেন কেন ? তার পরে ? আশুবাবু কহিলেন, ঠিক তাই। শুনে হেসে উঠে বললে, শাস্ত্রে ঐ রকম আছে নাকি ? থাকৃবেই ত । র্তারা জানতেন জ্ঞানের চর্চায় জ্ঞানের ইচ্ছে বাড়ে, ধর্মের সাধনায় ধর্মের পিপাসা উত্তরোত্তর বেড়ে চলে, পুণ্যের অনুশীলনে পুণ্যলোভ ক্রমশঃ উগ্র হয়ে ওঠে, মনে হয় যেন এখনো ঢের বাকি,–এও ঠিক তেমনি । শাম্যতি নেই বলে এ ক্ষেত্রেও র্তারা আক্ষেপূ করে যাননি। তাদের বিবেচনা ছিল । হরেন্দ্র, অজিত, বেলা ও নীলিমা চারিজলেই হাসিয়া উঠিল। 歇