প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/৪০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


లిఫెఏ শেষ প্রশ্ন মুক্তির পথ। দেখতে পাননা কাকাবাবু, সতীদাহের বাইরের চেহারাটা রাজ-শাসনে বদলালে৷ কিন্তু তার ভিতরের দাহ আজও তেমনিই জলচে ? তেমুনি কোঁরেই ছাই কোরে আন্‌চে ? এ নিভবে কি দিয়ে ? আগুবাবু কথা কহিতে পারিলেননা, শুধু একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফুেলিলেন, কিন্তু পরক্ষণই সহসা বলিয়া উঠিলেন, কমলমণির মায়ের বন্ধন যে আজও কাটাতে পারিনি তাকে তোমরা বল মোহ, বল দুৰ্ব্বলতা—কি জানি সে কি, কিন্তু এ মোহ যেদিন “খুচবে, মহিষের অনেকখানিই সেই সঙ্গে ঘুচে যাবে মা। মানুষের এ বহু তপস্যার ধন। আচ্ছা, আসি । বাসদেও চলো। -- টেলিগ্রাফ-পিয়ন সাইকেল থামাইয়া রাস্তায় নামিয়া পর্তুপ। জরুরি তাৰু। হরেন্দ্র গাড়ীর আলোতে খাম খুলিয়া পড়িল। দীর্ঘ টেলিগ্রাম, আসিয়াছে মথুরা জেলার এক ছোট সরকারী হাসপাতালের ডাক্তারের নিকট হইতে । বিবরণটা এইরূপ,—গ্রামের এক ঠাকুর-বাড়ীতে আগুন লাগে, বহুদিনের বহুলোক-পৃষ্ট্রি বিগ্রহ-মূৰ্ত্তি পুড়িয়া ধ্বংস হইবার উপক্রম হয়। বাচাইবার কোন উপায় আর যখন নাই, সেই প্ৰজলিত গৃহ হইতে রাজেন্দ্র মূৰ্ত্তিটিকে উদ্ধার করে। দেবতা রক্ষা পাইলেন, কিন্তু রক্ষা পাইলন তত্ত্বার রক্ষাকৰ্ত্তা। দুই দিন নীরবে অব্যক্ত যাতনা সহিয়া আজ সকালে সে গোবিন্দজীর বৈকুণ্ঠে গিয়াছে। দশ হাজার বুেকে কীৰ্ত্তনাদি সহ শোভাযাত্রা করিয়া তাহার নশ্বর দেন্ত যমুনা তটে জ্ঞা করিয়াছে। মৃত্যুকালে এই সম্বাদটা আপনাকে সে দিতে বলিয়ছে । স্লীল আকাশ হইতে যেন বজ্রপাত হইয়া গেল। কান্নায় হরেন্দ্রর কণ্ঠ রুদ্ধ, এবং অনাবিল জ্যোম্বী রাত্ৰি সকলের চক্ষেই একমুহূর্দুে অন্ধকারে একাকার হইয়া উঠিলু ।