পাতা:শ্রীশ্রীচৈতন্যমঙ্গল.djvu/২৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

মধ্যখণ্ড নারদের বোলে রাজ। হরিষ মনোরথে । চুয়া-চন্দনের ছড়া দিল রাজপথে ॥ ১৬৭ ৷ খদি, দধি, মঙ্গল, তুৰ্ব্বা, কুঙ্কুম, কস্ত রি। সূক্ষম পুষ্প উজ্জ্বল, দীপ জ্বলে সারি সারি ॥১৬৮ হার-উদিশে রাজা অনুত্ৰজী ধায় । কথোদুরে গিয়। তবে প্রবের লাগি পায় ॥১৬৯ ধ্ৰুলেরে দেখিএঃ রাজা প্রাণ পাইল লোলে। লক্ষ লক্ষ চুম্ব দিয়া পুত্র কৈল কোলে ॥১৭০ ধলেরে আনিএ । পুনঃ সভে কৈল রাজ। হাতে হাতে সমৰ্পিল পাত্র আর প্রজা ॥১৭১৷৷ ধলের তরে রাজ্য রিএঃ রাজ গেল ললে । কথো দিন রাজ্য কৈল আনন্দিত মনে ॥১৭২৷৷ পলে, দাপে নানাদেশ নিল একে একে । চল্লিশলৎসর রাজ্য কৈল নিষ্কণ্টকে ৷ ১৭৩ ৷ দেল-গন্ধৰ্ব্ব-মপ্যে লtলা বিক্রম করি । মাকে সঙ্গে লঞ। ধ্রুব গেল ধলপুরী ॥১৭৪ ৷ শচী গোলে— আমিহ যাইল তোমার সঙ্গে। থাপিল ভোমার সঙ্গে কুষ্ণকথারঙ্গে ৷৷ ১৭৫ ৷৷ তুমি হেন সোণার পুত্র যালে লুড় মুড়ি । মুঞি মুণ্ড মুড়াইয়া হইমু নড়ি ॥ ১৭৬ ৷ রক্তবস্ত্র পরিল—কুণ্ডল দিমু কাণে । যোগিনী হইয়। অামি যাব তোমার সনে ॥১৭৭ মাএর বচনে প্রভু অস্তব্যস্ত হৈলা । কি দিল প্রলেপ বলি? fচন্তিভে লাগিলা ॥১৭৮ সৰ্ব্বজ্ঞ শিরোমণি শচীর নন্দন । মাএরে প্রবোধ করে এ দাস লোচন ॥ ১৭৯ ৷ বরাড়ি রাগ দিশ ॥ হেন অদভুত কথা শ্রবণ-মঙ্গল নাম রে। শুন গোরা-গুণ-গাথা শচীর দুলাল চাদ রে ॥ধ৷ অস্তব্যস্ত নহ—শুন আমার লচন । মিছা-কাজে দুঃখ চিত্তে কর কি কারণ ॥১৮০৷৷ বারে বারে কহি? তোরে—নাহি তাবধানে। মিছা কর লোভ, মোহ, ক্রোপ, অভিমানে ॥ ՏԵԳ কে তুমি তোমার পুত্র -কে বা কর বাপ । মিছ৷ “তোর মোর’ করি কর অনুতাপ ॥১৮২ কি নারী, পুরুষ আর কেব। কার পতি । শ্ৰীকৃষ্ণচরণ পিলু তার নাহি গতি ॥ ১৮৩ ॥ সে-ই পিতা, সে-ই মাতা, সে-ই বন্ধুজন । সে-ই হৰ্ত্তা, সে-ই কৰ্ত্ত, সে ই মাত্র ধন ॥১৮৪ ত। লিনু সকল মিছ।—কহিল এ তত্ত্ব । তা লিলু সকল মিছ। যতেক জগত ॥ ১৮৫ ॥ বিষ্ণুমায়ণবন্ধে সল লোক সুষন্ত্রিত। নিজ মদ অহঙ্কারে কেবল গীড়িত ॥ ১৮৬ ॥ মিজ ভাল ভাল পলি যেই করে কৰ্ম্ম । পরকালে বন্দী হয় সেই সব ধৰ্ম্ম ॥ ১৮৭ ॥ কৰ্ম্মসূত্রে পদ হৈয়। বুলম্বো ভ্ৰমিয়।। ভাiপনা ন! জামে মূঢ় কৃষ্ণ পাশরিয়৷ ১৮৮ ৷ চতুর্দশ লোক মণ্যে মনুষ্যের জন্ম । দুল্ল ভ করিয়া জানি’-কহিল এ মৰ্ম্ম ॥১৮৯। শিবমলিপাক ইথে আছয়ে অপার। ক্ষণেক ভঙ্গুর এই অলিভ্য সংসার। ১৯০ ॥ তবহু দুল্লভ জানি মনুষ্য-শরীর । শ্রীকষ্ণ ভজয়ে যে মায়ায় হৈয়ে স্থির ॥ ১৯১ ॥ খ্ৰীকৃষ্ণ-ভজন মাত্র এই সব দেহ । মুক্তবন্ধ হয় যদি কৃষ্ণে করে নেহ ॥ ১৯২ ॥ পুত্রস্নেহে কর মোরে যত বড় ভাল । শ্ৰীকৃষ্ণচরণে হৈলে কত হয় লাভ ৷ ১৯৩ ॥ সংসারে অণরতি করে মরিবার ভরে । শ্ৰীকৃষ্ণে আরতি করে ভব তরিবারে। ১৯৪ ॥ সে-ই সে পরমবন্ধু, সে-ই মাতা পিতা। শ্ৰীকৃষ্ণচরণে যেই প্রেমভক্তিদাতা। ১৯৫ ॥ কৃষ্ণের বিরহে মোর অন্তর কাতর। চরণে পড়িয়া বলি’ স্তলন উত্তর ॥ ১৯৬ ॥ বিস্তর পীরিতি মোরে করিয়াছ তুমি। তোমার আজ্ঞায় শুদ্ধচিত্ত হই আমি ॥ ১৯৭ ॥ আ ম র নিস্তার হয় তোর পরিত্রাণ । শ্ৰীকৃষ্ণচরণ ভজ--ছাড় পুত্রজ্ঞান। ১৯৮ ॥