পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/২২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

| অন্ত খণ্ড । ২১৭ বারশত পচাত্তর সালের আষাঢ় । তেরই তারিখ সিংহরাশী শুক্রবার ॥ পুত্র লাভ করি হ’ল পরম আনন্দ । ওঢ়াকাদি যাতায়াত করেন স্থান দ । পাশরিতে নারে গুণ দিব নিশি গায় । নারী পুত্র সঙ্গে করি ওঢ়াকাদি যায়। পুত্রের বয়স হ’ল ছয় সাত মাস । হরিবর নাম রাখি মনেতে উল্লাস ॥ সাত মাসে ছেলের হইল ভাপিজর । তাহা দেখি আনন্দের চিন্তিত অন্তর ॥ প্রাতঃকালে উঠে গেল উড়িয়া নগর । যখনেতে যাইয়া উঠিল বাড়ী পর ॥ t e’ - t к

  1. . সবে বলে ঠাকুরের না পাইবে দেখা ।

- * , গৃহদ্বার রুদ্ধ করি রয়েছেন একা । ভয়েতে কেহ না যায় ঘরের দুয়ারে । • yuss দ্বার খুলিবেন প্রভু সাত দিন পরে ॥ . আনন্দ বলিল আমি খুলিব এ দ্বার। তাহা শুনি সবে মান করে বার বার ॥ যে ঘরেতে মহাপ্রভু দ্বার রুদ্ধ ক’রে । হাটিয়া আনন্দ গেল সে ঘরের দ্বারে । দ্বার মুক্ত করিয়া যখন প্রণমিল । :- ক্রোধে পরিপূর্ণ প্ৰভু কঁাপিতে লাগিল ॥ i ঘর দ্বার বাড়ী ঘর থর থর র্কাপে । ভয় কেহ নাহি যায় প্রভূর সমীপে ৷ প্রভু বলে তুই কেন দুয়ার খুলিলি । যাহা আসে মুখে, প্রভু করে গালাগালি ৷ তাহা দেখি আনন্দ সে পড়িল ফাপরে। বাক্য নাহি সরে গাত্র ভাসে.নেত্রনীরে ॥ ভাবে এই অপরাধে নাহি মোর মাপ । ভয় কর ধরি করে গুরু মন্ত্র জাপ ॥ 4. নয়ন মুদিয়া করে স্তব স্তুতি গান। তাহাতে হইল তুষ্ট প্রভু ভগবান ॥ বলে কেন দরজা খুলিলি তাহ। বল । আমার দরজা খুলে কার এত বল । আনন্দ চরণপদ্মে পুল প্রণমিল । শ্রপদের রঞ্জনিতে হস্ত বাড়াইল ॥ ধীরে ধীরে হাত বাড়াইল ভয় বাসী। তাহা দেখি মহাপ্রভু উঠিলেন হাসী। অন্তরে সন্তোষ বাহে যেন কত রাগে । বলেৰে বলদ দ্বার রুদ্ধ কর আগে । [ રી. ] আজ্ঞা লংঘনের ভয় দরজ। ধরিল ! দরজাতে ঝাপ থান৷ তাড়ে ক’রে দিল ৷ আনন্দ বসিল গে এমন জায়গায় । ঝাপের উপর দিয়া মুখ দেখা যায় ॥ আনন্দের চতুর্য বুঝিল হরিচাদ । বলে বেটা কেবল পাতিস যত ফাদ ॥ আনন্দ কঁদিয়া বলে দিয়া ছিলে ছেলে । হইয়াছে ভাপি জ্বর এসেছি তা বলে ॥ ভাপি জ্বরে যদি মরে তোমার অথ্যাতি । সে সংবাদ জানাইতে এসেছি সংপ্ৰতি। কেমনে সারিবে জর বলে দেহ তাই । দয়াময় হরি আমি দেশে চলে যাই ॥ প্রভু বলে কিছু বলিবারে পারিবন । পুনৰ্ব্বার সে আনন্দ আরম্ভিল কান্ন ॥ প্রভু বলে বলিলাম কিছু বলিবন । মোরে দিয়া তুই অ’জ কিছু বলাসূন ॥ প্রভু বলে আনন্দরে দেখ মনে ভেবে ; " তোর কথা বুলে না আমার কথ। ব্ল’বে ॥ আনন্দ বলিল মোর বিচারেতে হয় । ভক্ত বাক্য ছাড়া তব বাক্য কবে রয় ॥ তাঙ্গtশুনি মহা প্রভু হাসিয়া উঠিল। বলে তুই যা করিবি তাহী হবে ভাল ॥ যাহা তোর মনে আসে তাহ গিয়া কর । কর। মাত্র সেরে যাবে তার ভাপি জ্বর ॥ এর পূৰ্ব্বে আনন্দ অপরে বনমালী। জর হয়ে প্লীহা হ’ল হইল দুৰ্ব্বলী ॥ একত্র হইয়া যায় ওঢ়ার্কাদি গায়। শ্ৰীধামেতে দুই ভাই হইল উদয় ॥ প্ৰণমিয়া পদতলে করে নিবেদন । বলে প্রভু প্লীহা জর কর বিমোচন। প্রভু বলে যদি আলি প্লীহা জর হেতু। কল৷ তিল যোগে খাস চাল ভাঙ্গাছাতু । বনমালী স্বীকার করিল থ’ব তাই । আনন্দ বলিল অস্বন্তি নাহি খাই ॥ ভোর রাত্রি ছাতু খেতে আমি পারিবন ॥ প্রভু বলে তবে তোর প্লীহা সারিবেন ॥ কাদিয়া আনন্দ তবে ধরে প্রভু পায়। বলিলে মুখের কথা ব্যাধি সেরে যায় ॥ তথাপি করুণাময় কর প্রতারণা। রোগ হেতু তিল ছাতু খেতে পারিবন ॥