থাক্বে না। এখান থেকে আমার জামাই বাড়ী একদিনেরও বেশী রাস্তা;—লোক পাঠা’লেও তারা গিয়ে পৌঁছুতে পারবে না। তারে ত আপনারা খবর পাঠিয়ে দেন—খবর নিয়ে আসেন, আমার এটা পাঠিয়ে দেবার কিছু বিহিত করতে পারেন না?”
ষ্টেশন-মাষ্টার ও তারবাবু দু’জনেই কথাটা শুনলেন। একটু মৌন থেকে, তারবাবু বল্লেন—“হাঁ, জিনিষগুলো পাঠান যেতে পারে বটে—তবে একটু বেশী চেষ্টা করতে হবে।”
বৃদ্ধ অকুল সাগরে ভাস্ছিল। কথাটা শুনে যেন কুল পেলে। বল্লে—“বাঁচলুম বাবু, আমার মান রক্ষা হবার পথ হলো। এই নিন্ পাঁচ টাকা মাশুল। আর আপনি যে এতটা কষ্ট করবেন, তার জন্য এক টাকা আমি আপনাকে পান খেতে দিচ্ছি। দেখবেন বাবু—যেন জিনিষগুলি সন্ধ্যার আগে পৌছায়। আমি মেয়েটাকে দেখবার জন্য একটা লোক সেখানে পাঠাচ্ছি—সে না হয় কাল গিয়ে পৌঁছুবে।”
তারবাবু তাকে আশ্বাস দিয়ে সন্দেশ আর কাপড় রাখলেন, লোকটি চলে গেল। ষ্টেশন-মাষ্টার বল্লেন—“তার বাবু, এই কাজটা ভাল হ’ল না। ঐ বুড়ো যখন লোক পাঠাচ্ছে, তখন নিশ্চয়ই খবর পাবে, যে সন্দেশ কাপড় সেখানে গিয়ে পৌঁছায় নাই। বুড়ো নিশ্চয়ই এসে, জিনিষগুলো না। পাবার কারণ জিজ্ঞাসা কর্বে—তখন আমরা কি বলবো?”
তারবাবু হেসে বল্লেন,—“আপনাকে ভাব্তে হবে না। তাকে বোঝাবার ভার আমার রইল। এখন কঁচাগোল্লা