প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:সিমার - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৮৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কাগজের প্যাকেটে নানারকম সুগন্ধি গোলাপ কেনা হয়। সাদা কিছু ফুলও কিনে ফেলে রাবেয়া । বলি, এত ফুল কি হবে ? সবই তো শুকিযে যাবে। --তা যাক । তা বলে কিনব না ? -কোনো । কেনো । যত খুশি কেনো ! -একটু আতর আর গুলাব পানি কিনতে হবে । ? RRaN) سس -WV53. (Salzi Vötött Gisi r: ? -वif } -গুলাব পানির শরবত ? } it5چسسہ আর কি লাগবে যেন ? এই যা, ধূপবাতি ? আতরের দোকানে আন্তর । ধূপবাতির দোকানে ধূপবাতি । সব কেনা হয় । সুম কেনে এক শিশি । তার পর বাবেয়া বলে, আব্ব কি বাকি রইল ? আরো কি সব টুকিটাকি কেনে সে । আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো তার কেনাকাটার বহর দেখে যাই। পথে নেমে রাবেয়া বলে, এইটুকু হেঁটে যাব । আমি বলি, এইটুকু কোথায় ? ঢ়ের পথ । যেতে যেতে সূর্য ঢলে যাবে। --তা যাক ! তবু হাঁটব । রাবেয়া ক্রমশ উচ্ছল হয়ে ওঠে । আজ এই মুহুর্তে তাকে ছেলেমানুষী খেয়ালে চালিত রূপসীদের মতো অবাক লাগে । সে যেন আমাকে নিয়ে দূরস্ত আবেগে কোথায় পালিয়ে হারিয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে চায় । জীবনের দুই মুখে মোমবাতি যেভাবে পোড়ে, এ যেন তাই । নিজেকে জ্বালিয়ে দেয়ার নেশার মধ্যে বেঁধে ফেলা হয়েছে নিজের পরিধি । কোথাও পালানো যায় না, অথচ পালানোর মতো একটা মজা করে যাওয়া । কিছু না । স্রেফ একটা অলৌকিক তৃষ্ণা নিয়ে আপন অস্তিত্বকে বুঝতে চেষ্টা করা । এই বিপন্ন বিপর্যন্ত জীবনের দিকে যারা এবং যে ঘটনা, যে-সব অনিয়ম ঠেলে দিয়েছে আমাদের দু জনকে, তার প্রতি একটি ব্যাখ্যার অতীত আক্রোশ দানা বেঁধে উঠেছে। যেন দু জনের দুখানি হাত পেছনে মুড়ে মুচড়ে বেঁধে দুই চোখে পটি বেঁধে একটি জটিল বাঁকা পথের দুই বিপরীত প্রান্তে ছেড়ে দিয়ে বলা হয়েছে, দুজন দুজনকে খুঁজে নাও, স্পর্শ কর । এই খেলার নাম ইদাৎ কিংবা তালাক-শাসিত দাম্পত্য । গৰ্হিত লুকোচুরি খানিক, খানিকটা আত্মপীড়নের সুখ দিয়ে পূর্ণ করা হয়েছে এই নাটক, এখন কেবল শূন্যে هسن