পাতা:স্বপ্নলব্ধ ভারতবর্ষের ইতিহাস.djvu/৪৭

এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
আতিথ্য উৎসবাদি বিষয়ক।
৪৩

গ্রহণ করা তাহাদিগের অন্তঃকরণে গ্লানিজনক হইতে পারিবে না। তাঁহারা যে দান গ্রহণ করিবেন, তাহা দাতার কৃতজ্ঞতা সূচক বলিয়াই মনে করিবেন; আপনাদিগের অধীনতা ব্যঞ্জক মনে করিবেন না। অতএব দান ধর্ম্ম পালনের প্রকৃত স্থল দেশের শিক্ষাদাতা ব্রাহ্মণগণ। অন্ধ, অথর্ব্ব, অক্ষম লোকেরা যে দয়ার একান্ত পাত্র, তাহা বলিবার আবশ্যকতা নাই। কারণ উহারা অবশ্য পোষ্যের মধ্যেই গণ্য। সুতরাং তাহারা অন্যদীয় সাহায্য গ্রহণ করিলে কখনই আত্মগ্লানির ভাজন হয় না। অতএব দান ধর্ম্ম পালনের মূল নিয়ম এই—‘যাহারা অন্যদীয় সাহায্য গ্রহণে নীচতানুভব করিতে না পারে, তাহারাই দানের পাত্র, অপরে দানের পাত্র নহে।’ যিনি এই মূল সূত্র স্মরণ পূর্ব্বক আত্ম-সংযম সহকারে দান করিতে না পারেন, তাঁহার দান ক্রীড়ার ন্যায় সুখজনক হইতে পারে, কখনই ধর্ম্ম বৰ্দ্ধক হইতে পারে না।”

 মন্ত্রি-মহাশয়ের মূল নিয়ম ভারতবর্ষীয় দিগের সরল উদার এবং বিশ্বাস-প্রবণ হৃদয়ে কি পরিমাণে স্থান গ্রহণ করিবে, কতদূরই বা কার্য্যকালে স্মৃতি পথে আসিবে, তাহা বলা যায় না।

 ভারতবর্ষবাসীদিগের এই অসীম দানশীলতাই তাহাদিগের উৎসবোপলক্ষে ব্যয় বাহুল্যের মুখ্য কারণ। তাঁহারা কিছু স্বভাবতঃ তেমন আমোদ প্রিয়