পাতা:স্বামী বিবেকানন্দ (চতুর্থ খণ্ড).djvu/৭৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ঈৰ্যাপরতন্ত্র হইয়া তাহার বিরুদ্ধবাদী হইয়াও দাড়াইয়াছিলেন। কোন কোন গোড়া কাগজওয়ালা তাহার স্বাভাবিক উদারতা ও স্বাধীনতাপ্রিয়তাকে উচ্ছঙ্খলতা বলিয়া শ্লেষ ও বিদ্রুপ করিতেও কুষ্ঠিত হন নাই। মোট কথা শুর্তাহার এই বিশ্বব্যাপী গৌরবটাকে অনেকে অনেক রকম ভাবে ও বিশেষ কৌতুহলের সহিত দেখিতেছিলেন ও তৎসম্বন্ধে নিজ নিজ মন্তব্য, সমালোচনা, মতামত ও জল্পনা কল্পনা প্ৰকাশ করিতেছিলেন। কিন্তু কলিকাতা অভি: নন্দনের উত্তর দিতে উঠিয়া তিনি যে ওজস্বিনী বক্তৃতা দিলেন ও :মেরূপ বিনয় নম্র বচনে ও আন্তরিক অকপটতার সহিত নিজের বিষয়ে উল্লেখ করিলেন তাহাতে সকলের মতি একেবারে পরিবৰ্ত্তিত হইয়া গেল। সেই বক্তৃতার অদ্ভুত শব্দমাধুর্য্য ও ভাবসৌন্দৰ্য্য বুলিলেন, “মানুষ আপনার মুক্তি চেষ্টায় জগৎপ্ৰণেতার সম্বন্ধ ঋকেবারে ত্যাগ করিতে চায়। মানুষ নিজ আত্মীয়স্বজন স্ত্রী পুত্র বন্ধু বান্ধবের মায়া কাটাইয়া সংসার কুইতে দূরে, অতিদূরে লাইয়া যায়। চেষ্টা করে দেহগত্ব সকল সম্বন্ধ, পুরাতন ঐ সকল সংস্কার ত্যাগ করিতে, এমন কি, মানুষ নিজে যে স্মার্ক ত্ৰিহস্ত * পরিমিত দেহধারী মানব, ইহা ভুলিতেও প্ৰাণপণে চেষ্টা করে, টু, কিন্তু তাহার অন্তরের 'অন্তরে সে সূৰ্ব্বদাই একটা মৃদ্ধ অস্ফুটব্বনি : : শুনিতে পায়, তাহার কর্ণে একটি সুর সর্বদাই বাজিতে থাকে, কে , ‘জননীৰ জন্মভূশ্চি স্বৰ্গদপি গরিয়সী।” হোিভারত্নসাম্রাজ্যের । 'ŵy, Rey^&9 .