পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/৯৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ br2 ] অশ্বপৃষ্ঠে তথায় অবস্থিতি করিতেছিলেন। বহুসংখ্যক বাঙ্গালী ইনস্পেক্টার রাস্তায় ও হাবেলীর প্রাঙ্গণে যাতায়াত করিতেছিলেন । তাহারা এন্টিসারকুলার সোসাইটীর প্রতিনিধিদের উপর রক্তলোলুপ ব্যাভ্রের ন্যায় সতৃষ্ণ দৃষ্টিপাত করিতেছিল । হাবেলীর নিকটে রাস্তার অপর পাশ্বে ঢাকার নবাব সলিমোল্লার কাছারী । সেই বাটী পুলিশের কেল্লায় পরিণত হইয়াছিল। সেই বাটতে বহুসংখ্যক পুলিশ বন্দুক লইয়া সমবেত হইয়াছিল। প্রতিনিধিগণ দেখিলেন, সাধারণ পুলিশ ও রিজার্ভ পুলিশ বড় লাঠি লইয়া রাজপথে অবস্থিতি করিতেছে, নবাবের কাছারীতে বন্দুকধারী পুলিশ সজ্জিত হইয়া রহিয়াছে রিজার্ভ পুলিশের স্ববাদারের হাতে লাঠি ও কটিদেশে তরবারি শোভা পাইতেছে। তথাপি বরিশালের রাজপথে “বন্দে মাতরম" বলিবার জন্য র্তাহারা যে দৃঢ় সঙ্কল্প করিয়াছিলেন, তাহা কিছুতেই বিচলিত হইল না। র্তাহারা ফুলারের বেআইনী সার্কুলার অগ্রাহ করিয়া রাজপথে “বন্দে মাতরং” বলিবার জন্য বহির্গত হইলেন ; বাবু স্বরেন্দ্রনাথ প্রভৃতি নেতৃবৃন্দও রাজপথে বহির্গত হইলেন। তাহাদের কিছু পশ্চাতেই এন্টাসোসাইটার প্রতিনিধি ছিলেন ইহারা ফটক পার হইয়া রাজপথে বহির্গত হইবামাত্র একদল তাহদের পশ্চাতে আসিয়া দাড়াইল । নিমেষ মধ্যে পূৰ্ব্বগামী ও অনুসরণকারী প্রতিনিধিদিগের শ্রেণী হইতে র্তাহাদিগকে পৃথক করিয়া বহু “কৃষ্ণবর্ণ কোর্তা ও থাকি কোর্ভাধারী” পুলিশ তছুদিগকে বেষ্টন করিল। মিঃ কেম্প