জেমস লঙ সম্পাদিত
(পৃ. -১১)
◄  
  ►

  1. আউশ ফুরালে আমন।
  2. আউশে পৌষে মাঘ মরা নির্ব্বংশে।
  3. আও যাও ঘর তোম্‌রা, খানে মাঙ্গো দুষমন্‌ হাম্‌রা।
  4. আওয়াজ কর্ত্তে চিত হৈয়ে পড়ে।
  5. আঁকে কেট্যে ব্রহ্মোত্তর।
  6. আঁটি চোষা।
  7. আঁটুনি কসুনি সার।
  8. আঁতুড় আগ্‌লান।
  9. আঁধারে ঢেলা ফেলা।
  10. আঁধারে মাণিক শুয়ে আছে।
  11. আঁধারে পায়ে তেল দেওয়া।
  12. আক্‌কাটা মানুষ।
  13. আকাশ ভেদী কথা।
  14. আকাশে গ্রহণ লাগ্‌লে সকলেই দেখে।
  15. আকাশে ফাঁদ পেতে বনের পাখি মারে।
  16. আকাশের চাঁদে বানরের ভালে, শ্বেত চামরে ঘোড়ার লোমে।
  17. আকুণ্ড কুণ্ড বাহির করা।
  18. আগ্‌লাঙ্গ্‌লা যেমন যায়, পাচ্‌লাঙ্‌লা তেমনই যায়।
  19. আগুন লাগ্‌লে কূপ খনন করা।
  20. আগে আপন চরকায় তেল দেও।
  21. আগে গেলেও ভেড়ের ভেড়ে, পিছে গেলেও ভেড়ের ভেড়ে।
  22. আগে জামাই কাঁঠাল খান্‌না, শেষে জামাই ভোঁতাও পান্‌না।
  23. আগে জেলে ছিল ভাল জাল দড়ি বুনে।
    কি কাল করিল জেলে এঁড়ে গরু কিনে।

  24. আগে তেতো শেষে মিটো।
  25. আগে দুঃখ পিছে সুখ।
  26. আগে ধর্ম্ম পরে পিতৃলোকের কর্ম্ম।
  27. আগে ধাক্কা সাম্‌লা, পশ্চাৎ মক্কায় যাইস্‌।
  28. আগে পিঁড়ের জিতি, তবে পেঁড়োয় জিত্‌ব।
  29. আগে হাঁটে, পাঁঠা কাটে, প্রদীপ উশ্‌কোয়, দুই বাঁটে।
  30. আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
  31. আচারে লক্ষ্মী বিচারে পণ্ডিত।
  32. আচারে লক্ষ্মী বিচারে সরস্বতী।
  33. আছে গরু না বয় হাল, তার দুঃখ চিরকাল।
  34. আছে বস্তু নিয়ে বিচার।
  35. আজ কোন্‌ ঘাটে মুখ ধুয়ে ছিলে।
  36. আজ রোজা কাল ঠিকে।
  37. আজি মরে লক্ষ্মণ ঔষধ দিবে কখন।
  38. আজি মরে লক্ষ্মণ, ছয় মাসের পথ ঔষধ।
  39. আটার মধ্যে ঘুণ পেশা।
  40. আটে পিঠে দড়, তবে ঘোড়ার উপর চড়।
  41. আঠার মাসে বৎসর করিলে।
  42. আড় দিক্‌ যার ঠিক নাই সূত্র ধরে হাতে।
  43. আড়্‌ নয়ন বাঁকা ভ্রূ, সেজন নাটের গুরু।
  44. আড়াই অঙ্গুলি দড়ি, সৃষ্টি যুড়ে বেড়ি।
  45. আড়াই কড়ার কাসন্দি সহস্র কাকের গোল।
  46. আতর ওয়ালির বাঁদি ভাল, মেছুনির পদ্মিনী কিছু নয়।
  47. আত্ম রেখে ধর্ম্ম, তবে পিতৃ লোকের কর্ম্ম।
  48. আত্মসুখ পর বৈরাগ্য।
  49. আদরে গোবরে থাকা।
  50. আদরে ভোজন কি করে ব্যঞ্জন।
  51. আদা কাঁচ্‌কলা সম্বন্ধ।
  52. আদা খেলে, গাইট্‌টা তো রইল।
  53. আদাড় গাঁইয়ে শিয়াল বাঘ।
  54. আদার বেপারি হইয়ে জাহাজের খবর।
  55. আদেখ্‌লের ঘটি হলো, জল খেতে খেতে প্রাণটা গেল।
  56. আপ্‌ ভালা তো জগৎ ভালা।
  57. আপন কোথাই পাঁচ কাহন।
  58. আপন ঘোল কেহই টক্‌ বলে না।
  59. আপন ছিদ্র জানে না, পরের ছিদ্র খোঁজে।
  60. আপন পেট্‌ ভরিলেই খুষী।
  61. আপনার আপনি ডোর আর কোপ্‌নী।
  62. আপনার কিছু নয়, জগৎ কেবল মায়াময়।
  63. আপনার কুকুর পথ্য করে কোথায়।
  64. আপনার ঘরে সবাই রাজা।
  65. আপনার চক্ষে সুবর্ণ বর্যে, পর চক্ষে রূপা। যত লোক কথা কয় গাপা আর গুপা।
  66. আপনার ছেলেটী, খায় যেন এতটি, বেড়ায় যেন লাটিমুটি। পরের ছেলেটা খায় যেন এতটা, বেড়ায় যেন বাঁদর টা (বা ডেক্‌রাটা।)
  67. আপনি বাঁচিলে বাপের নাম।
  68. আপনি ভাল তো জগৎ ভাল।
  69. আপনার দোষ কেউ দেখে না।
  70. আপনার নাক্‌ কাটিয়া পরের যাত্রা ভঙ্গ।
  71. আপ্‌নার পাঁজি পর্‌কে দিয়ে দৈবজ্ঞ বেড়ায় মাথায় হাত দিয়ে।
  72. আপনার পানে চায় না শালি, পর্‌কে বলে টেবো গালি।
  73. আপনার পায় আপনি কুড়ুল মারা।
  74. আপনার বেলায় আঁটি সুঁটি। পরের বেলায় চিম্‌টি কাটি।
  75. আপনার বেলায় পাঁচ কড়ায় গণ্ডা।
  76. আপনার বেলায় পাঁচ কাহন।
  77. আপনার মান আপনি রাখ, কাটা কাণ চুল দিয়ে ঢাক।
  78. আপনার মান আপনার ঠাঁই।
  79. আপনার মুখ আপনি দেখ।
  80. আপনার হারা ও স্ত্রীর মারা।
  81. আপনি শুইতে জায়গা পায় না শঙ্করাকে ডাকে।
  82. আব্‌রুচি খানা পর্‌রুচি পরনা।
  83. আবাগের বেটা ভূত।
  84. আবালে না নোয় বাঁশ, পাকিলে করে টেঁস্‌ টেঁস্‌।
  85. আম আমড়া কুঁজ্‌ড়ো ধান, এই কয় নিয়ে বর্দ্ধমান।
  86. আম না পেয়ে আঁটি চোষা।
  87. আম ফুরালে আমসি, যৌবন ফুরালে কান্তে বসি।
  88. আমড়া কাঠের ঢেঁকি।
  89. আমড়াগেছে কথা।
  90. আমড়া তলায় আম্‌ পেলে কি, আম্‌তলায় যায়।
  91. আমরা ফকীর হলাম, দেশেও অকাল হলো।
  92. আমরা মা মনসার চেলা।
  93. আমাকে ভূতের বোঝা বৈতে হলো।
  94. আমার উপর রাজা জোঙ্গড়া লাগিয়াছে।
  95. আমার এমনি হাথ যশ, এ পাড়ায় যদি খাওয়াই ওষুধ ওপাড়ায় মরে গণ্ডাদশ।
  96. আমার গ্রহণের শ্রাদ্ধ যত হয়।
  97. আমার চক্ষে ঠুলি দিয়া লয়ে গেল।
  98. আমার ছাগল আমি নেজের দিলে কাটিব।
  99. আমার দাদার স্বাক্ষর।
  100. আমার দুঃখের দোষর কেহ নাই।
  101. আমার দুই হাত কাটিলে সমান ব্যথা।
  102. আমার নাম রণ রঘু, ভিটাতে চরাই ঘুঘু।
  103. আমার বোবার স্বপ্নের ন্যায় হয়েছে।
  104. আমার ভরা ভাতে দাগা দিয়াছে।
  105. আমার মরিতে অবকাশ নাই।
  106. আমি এমনি দম্‌ লাগাই, ভেল্কিতে ভেড়া বানাই, দিনে তারা দেখাই।
  107. আমি কি তোমার পাকা ধানে মৈ দিয়াছি।
  108. আমি খোয়ে বন্ধনে পড়েছি।
  109. আমি তীর্থের কাকের ন্যায় বসে আছি।
  110. আয় বল্‌দা বুঝে মার।
  111. আয় হোর্ষে, মোরে ধর্ষে।
  112. আর একটা পাখী বলে চোক্‌ গেল।
  113. আর কাষ্ঠে আগুন নাই মান্দার কাষ্ঠে আগুন।
  114. আর কোন কর্ম্মে নাইকো দড়, লাউকুট্‌তে দেন ফালা।
  115. আর ঢাক্‌ ঢাক্‌ গুড়্‌গুড়ে কায্‌ কি।
  116. আর দোকান খুলে কায্‌ নাই।
  117. আর নাট্‌ভিরকুটী করোনা।
  118. আর ন্যাড়া বেলতলায় যায় না।
  119. আল্‌গা পেলে সন্ন্যাসী মাতে।
  120. আলালের ঘরের দুলাল।
  121. আলোচাউল দেখ্‌লে ভেড়ার মুখ চুল্‌কোয়।
  122. আশ্‌কে খাও ফোঁড় গোণনা।
  123. আশল ঘরে মুষল নাই ঢেঁক্‌শালে চাঁদোয়া।
  124. আশাতে পরম দুঃখ, নিরাশাতে সুখ।
  125. আশায় খেলিছি পাশা।
  126. আশায় জল সেঁচা।
  127. আশায় পুড়ালাম বাসা, প্রত্যাশায় মুড়ালাম দাঁড়ি, ভিক্ষা দেও গরিব যাচ্চে বাড়ি২।
  128. আশার অর্দ্ধেক ভাল। (ফল)
  129. আশীর্ব্বাদ করি তোমায় মাধার কাটে, মেগে খাওগে চেত্‌লার হাঁটে।
  130. আস্‌তে আজ্ঞা হউক।
  131. আস্‌তে যেতে হলো বেলা, তোমার কর্ম্মে কি আমার হেলা।
  132. আহ্লাদে আট্‌ খানা।