"পাতা:আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করিনা - প্রবীর ঘোষ.pdf/১১২" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট অনাকাঙ্ক্ষিত ফাঁক সরাচ্ছে, কোন সমস্যা?
 
(বট অনাকাঙ্ক্ষিত ফাঁক সরাচ্ছে, কোন সমস্যা?)
পাতার প্রধান অংশ (পরিলিখিত হবে):পাতার প্রধান অংশ (পরিলিখিত হবে):
৭ নং লাইন: ৭ নং লাইন:
{{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলাের ক্ষেত্রে নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি, মূল্যবােধ, সমাজ সচেতনতা—এসবের কোনও দাম নেই। ধর্মগ্রন্থগুলাে যে ছক তৈরি করে দিয়েছে, সেই ছককেই ‘চিরন্তন', 'অপরিবর্তনীয়' আদর্শ বলে ধরে নিতে হবে।
{{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলাের ক্ষেত্রে নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি, মূল্যবােধ, সমাজ সচেতনতা—এসবের কোনও দাম নেই। ধর্মগ্রন্থগুলাে যে ছক তৈরি করে দিয়েছে, সেই ছককেই ‘চিরন্তন', 'অপরিবর্তনীয়' আদর্শ বলে ধরে নিতে হবে।


{{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলাের নির্দেশিত পথ ‘মানবিক' গুণে ভরপুর, এমন একটা বিশ্বাস বহু মানুষের চেতনাকেই আচ্ছন্ন করে রেখেছে। এই আচ্ছন্নতার কারণ - ব্যাপক প্রচার । পত্র-পত্রিকার ছাপার অক্ষরকে, টেলিভিশন ও সিনেমার পর্দাকে বুদ্ধিজীবীদের কথা ও কলমকে বিশ্বাস করে মানুষ ভেবেছে—সব ধর্মই মানুষের সাম্যে বিশ্বাসী। মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির বিরােধী।
{{gap}}প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলাের নির্দেশিত পথ ‘মানবিক' গুণে ভরপুর, এমন একটা বিশ্বাস বহু মানুষের চেতনাকেই আচ্ছন্ন করে রেখেছে। এই আচ্ছন্নতার কারণ - ব্যাপক প্রচার। পত্র-পত্রিকার ছাপার অক্ষরকে, টেলিভিশন ও সিনেমার পর্দাকে বুদ্ধিজীবীদের কথা ও কলমকে বিশ্বাস করে মানুষ ভেবেছে—সব ধর্মই মানুষের সাম্যে বিশ্বাসী। মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির বিরােধী।


{{gap}}এই ধরনের প্রচার ও বিশ্বাস কতটা যুক্তিগ্রাহ্য, আসুন খোলা মনে একটু বিচার করে দেখি। দেখি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম বাস্তবিকই সাম্যের সমাজ গড়তে কতটা আন্তরিক। যাঁরা আধুনিক যুগের তালে তাল মেলাতে, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মকে মানুষের কাছে গ্রহণযােগ্য করে তুলতে বলেন, “'ধর্ম' মানে শনি-শীতলার পুজো, দর্গার সিরনি বা গির্জার মোমবাতি নয়, ‘ধর্ম মানে ‘way of life' বা একটি বিশেষ জীবন যাপন পদ্ধতি"—আসুন দেখা যাক, ধর্মীয় বিধান-মাফিক জীবন যাপন পদ্ধতি বা 'way of life' কতটা মানবিক। মানবিক কি না—বিচার- বিশ্লেষণের আগে এটা অবশ্যই আরও একবার পরিষ্কার করে বলে দেওয়া প্রয়ােজন, প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মেই পরমাত্মা বা ঈশ্বর আছেন, আছে ঈশ্বরে পূজার নানা রীতি-নীতি-আচার ইত্যাদি।
{{gap}}এই ধরনের প্রচার ও বিশ্বাস কতটা যুক্তিগ্রাহ্য, আসুন খোলা মনে একটু বিচার করে দেখি। দেখি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম বাস্তবিকই সাম্যের সমাজ গড়তে কতটা আন্তরিক। যাঁরা আধুনিক যুগের তালে তাল মেলাতে, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মকে মানুষের কাছে গ্রহণযােগ্য করে তুলতে বলেন, “'ধর্ম' মানে শনি-শীতলার পুজো, দর্গার সিরনি বা গির্জার মোমবাতি নয়, ‘ধর্ম মানে ‘way of life' বা একটি বিশেষ জীবন যাপন পদ্ধতি"—আসুন দেখা যাক, ধর্মীয় বিধান-মাফিক জীবন যাপন পদ্ধতি বা 'way of life' কতটা মানবিক। মানবিক কি না—বিচার- বিশ্লেষণের আগে এটা অবশ্যই আরও একবার পরিষ্কার করে বলে দেওয়া প্রয়ােজন, প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মেই পরমাত্মা বা ঈশ্বর আছেন, আছে ঈশ্বরে পূজার নানা রীতি-নীতি-আচার ইত্যাদি।


{{gap}}এই একই সুরে কথা বলছেন রামকৃষ্ণ মিশনের ধর্মীয় বেত্তারা থেকে মুসলিম ধর্মগুরুরা, বাহাই ধর্মীয় নেতারা, খ্রিস্ট ধর্মের প্রচারকরা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ধর্ম-গুরুরা পর্যন্ত ।
{{gap}}এই একই সুরে কথা বলছেন রামকৃষ্ণ মিশনের ধর্মীয় বেত্তারা থেকে মুসলিম ধর্মগুরুরা, বাহাই ধর্মীয় নেতারা, খ্রিস্ট ধর্মের প্রচারকরা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ধর্ম-গুরুরা পর্যন্ত।
২,১৫,৫৯৮টি

সম্পাদনা