প্রধান মেনু খুলুন


চোখের বালি > * > আশা দুঃখিত হইয়া কছিল, “ঐ তার দোষ । ষাকে ভালোবাসেন না, সে एयन ७८कदांरच्च नाहे । उॉक एषन ७कभिनe cगcषन नाहे, छांदनन नांहे, ७बनि उँङ् खiब ।।* 喘 অন্নপূর্ণ শান্ত ক্ষিপ্ত হাতে কহিলেন, “আবার যাকে ভালোবাসেন মহিম ৰেন छद्मजब्रांखब्र ८कक्ण डांप्कह शक्रषन ७ीब९ छांप्नन, ७ छांदe ॐांच्च चां८छ् । कौ বলিস চুনি।” আশা তাহার কোনো উত্তর না করিয়া চোখ নিচু করিয়া হাসিল। অন্নপূর্ণ জিজ্ঞাসা করিলেন, "চুনি, বিহারীর কী খবর বল দেখি। সে কি বিবাহ করিবে না।” মুহূর্তের মধ্যেই আশার মুখ গভীর হুইয়া গেল। সে কী উত্তর দিবে ভাবিয়া পাইল না । l আশার নিরুত্তর ভাবে অত্যন্ত ভয় পাইয়া অন্নপূর্ণ বলিয়া উঠিলেন, “সত্য বস চুনি— বিহারীর অস্কখ-বিস্কখ কিছু হয় নি তো ?” বিহারী এই চিরপুত্রহীন রমণীর স্নেহ-সিংহাসনে পুত্রের মানস-আদৰ্শরূপে বিরাজ করিত। বিহারীকে তিনি সংসারে প্রতিষ্ঠিত দেখিয়া আসিতে পারেন নাই, এ দুঃখ প্রবাসে আসিয়া প্রতিদিন তাহার মনে জাগিত । র্তাহার ক্ষুদ্র সংসারের আর-সমস্তই একপ্রকার সম্পূর্ণ হইয়াছে, কেবল বিহারীর সেই গৃহহীন অবস্থা স্মরণ করিয়াই তাহার পরিপূর্ণ বৈরাগ্যচর্চার ব্যাঘাত ঘটে। আশা কহিল, “মাসি, বিহারী-ঠাকুরপোর কথা আমাকে জিজ্ঞাসা করিয়ো না।” অন্নপূর্ণ আশ্চর্ষ হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, "কেন বল দেখি ।” আশা কহিল, “সে আমি বলিতে পারিব না ।” বলিয়া ঘর হইতে উঠিয়া গেল । অন্নপূর্ণ চুপ করিয়া বসিয়া ভাবিতে লাগিলেন, “অমন সোনার ছেলে বেহারি, এরই মধ্যে তাহার কি এতই বদল হইয়াছে যে, চুনি আজ তাহার নাম শুনিয়া উঠিয়া যায়। অদৃষ্ঠেরই খেলা। কেন তাহার সহিত চুনির বিবাহের কথা হইল, কেনই-বা মহেক্স তাহার হাতের কাছ হইতে চুনিকে কাড়িয়া লইল । অনেক দিন পরে আজ আবার অন্নপূর্ণার চোখ দিয়া জল পড়িল ; মনে মনে তিনি কহিলেন, ‘আহ, আমার বেহারি যদি এমন-কিছু করিয়া থাকে যাহা আমার বেহারির যোগ্য নহে, তবে সে তাহা অনেক দুঃখ পাইয়াই করিয়াছে, সহজে করে নাই ।” $ $२ চোখের বালি বিহারীর সেই দুঃখের পরিমাণ কল্পনা করিয়া অন্নপূর্ণার বক্ষ ব্যথিত হইতে লাগিল । " ~ সন্ধ্যার সময় যখন অন্নপূর্ণ আছিকে বলিয়াছেন, তখন একটা গাড়ি আসিয়া দরজায় থামিল, এবং সহিল বাড়ির লোককে ভাকিয়া রুদ্ধ দ্বারে ঘা মারিতে লাগিল। অন্নপূর্ণ পূজাগৃহ হইতে বলিয়া উঠিলেন, “ঐ যা ! আমি একেবারেই ভুলিয়া গিয়াছিলাম, আজ কুঞ্জর শাশুড়ির এবং তার দুই বোনঝির এলাহাবাদ হইতে আসিবার কথা ছিল। ঐ বুঝি তাহারা আসিল । চুনি, তুই একবার জালোটা লইয়া দরজা খুলিয়া দে ।” আশা লণ্ঠন হাতে দরজা খুলিয়া দিতেই দেখিল, বিহারী দাড়াইয়া । বিহারী বলিয়া উঠিল, “এ কী বোঠান, তবে যে শুনিলাম, তুমি কাশী আসিবে না।” আশার হাত হইতে লণ্ঠন পড়িয়া গেল। সে যেন প্রেতমূর্তি দেখিয়া এক নিশ্বাসে দোতলায় গিয়া আর্তস্বরে বলিয়া উঠিল, “মাসিম, তোমার দুটি পায়ে পড়ি, উহাকে এখনই যাইতে বলো ।” অন্নপূর্ণ পূজার আসন হইতে চমকিয়া উঠিয়া কহিলেন, “কাহাকে চুনি, কাহাকে ।” আশা কহিল, “বিহারী-ঠাকুরপো এখানেও আসিয়াছেন।” বলিয়া সে পাশের ঘরে গিয়া দ্বার রোধ করিল। বিহারী নীচে হইতে সকল কথাই শুনিতে পাইল । সে তখনই ছুটিয়া যাইতে উত্ত— কিন্তু অন্নপূর্ণ পূজাছিক ফেলিয়া যখন নামিয়া আসিলেন তখন দেখিলেন, বিহারী দ্বারের কাছে মাটিতে বসিয়া পড়িয়াছে, তাহার শরীর হইতে সমস্ত শক্তি চলিয়া গেছে । অন্নপূর্ণ আলো জানেন নাই। অন্ধকারে তিনি বিহারীর মুখের ভাব দেখিতে পাইলেন না, বিহারীও তাহাকে দেখিতে পাইল না । অন্নপূর্ণ কছিলেন, “বেহারি !" হায়, সেই চিরদিনের স্নেহস্থখালিৰ কণ্ঠস্বর কোথায় । এ কষ্ঠের মধ্যে যে কঠিন বিচারের বজধানি প্রচ্ছন্ন হইয়া আছে! জননী অন্নপূর্ণ সংহারথাগ তুলিলে কার পরে। ভাগ্যহীন বিহারী যে আজ অন্ধকারে তোমার মঙ্গলচরণাশ্রয়ে মাথা রাখিতে আসিয়াছিল । বিহারীর অবশ শরীর আপাদমস্তক বিদ্যুতের জাম্বাতে চৰিত হইয়া উঠিল ; কহিল, “ৰাকীম, আর নয়, আর একটি কথাও বলিয়ো না । আমি চলিলাম।” চোখের বালি }^\9 বলিয়া বিহারী ভূমিতে মাথা রাখিয়া প্ৰণাম করিল, অন্নপূর্ণার পাও স্পর্শ করিল না । জননী যেমন গঙ্গাসাগরে সন্তান বিসর্জন করে, অন্নপূর্ণ তেমনি করিয়া বিহারীকে সেই রাত্রের অন্ধকারে নীরবে বিসর্জন করিলেন, একবার ফিরিয়া ডাকিলেন না । গাড়ি বিহারীকে লইয়া দেখিতে দেখিতে অদৃপ্ত হইয়া গেল । সেই রাত্রেই আশা মহেন্দ্রকে চিঠি লিখিল— · বিহারী-ঠাকুরপো হঠাৎ আজ সন্ধ্যাবেলায় এখানে আসিয়াছিলেন । জেঠামশায়রা কবে কলিকাতায় ফিরিবেন, ঠিক নাই— তুমি শীঘ্ৰ আসিয়া আমাকে এখান হইতে লইয়া যাও । Տեr সেদিন রাত্ৰিজাগরণ ও প্রবল আবেগের পরে সকালবেলায় মহেন্দ্রের শরীর-মনে একটা অবসাদ উপস্থিত হইয়াছিল। তখন ফান্ধনের মাঝামাঝি, গরম পড়িতে আরম্ভ করিয়াছে । মহেন্দ্র অন্যদিন সকালে তাহার শয়নগৃহের কোণে টেবিলে বই লইয়া বসিত। আজ নীচের বিছানায় তাকিয়ায় হেলান দিয়া পড়িল । বেলা হইয়া যায়, স্বানে গেল না। রাস্তা দিয়া ফেরিওয়ালা হাকিয়া যাইতেছে । পথে আপিসের গাড়ির শব্দের বিরাম নাই। প্রতিবেশীর নূতন বাড়ি তৈরি হইতেছে, মিস্ত্রি-কন্যারা তাহারই ছাদ পিটিবার তালে তালে সমস্বরে একঘেয়ে গান ধরিল। ঈষৎ তপ্ত দক্ষিণের হাওয়ায় মহেন্দ্রের পীড়িত স্নায়ুজাল শিথিল হইয়া আসিয়াছে ; কোনো কঠিন পণ, দুরূহ চেষ্টা, মানস-সংগ্রাম আজিকার এই হালছাড়া গা-ঢালা বসন্তের দিনের উপযুক্ত নহে । “ঠাকুরপো, তোমার আজ হল কী । স্নান করিবে না ? এ দিকে খাবার যে প্রস্তুত ! ও কী ভাই, শুইয়া যে ! অস্বখ করিয়াছে ? মাথা ধরিয়াছে ?” —বলিয়া বিনোদিনী কাছে আসিয়া মহেন্দ্রের কপালে হাত দিল । মহেন্দ্র অর্ধেক চোখ বুজিয়া জড়িত কণ্ঠে বলিল, “আজ শরীরটা তেমন ভালো নাই— আজ আর স্নান করব না ।” : বিনোদিনী কহিল, “স্নান না কর তো দুটিখানি খাইয়া লও।” বলিয়া পীড়াপীড়ি করিয়া সে মহেন্দ্রকে ভোজনস্থানে লইয়া গেল এবং উৎকষ্ঠিত যত্বের সহিত অতুরোধ করিয়া আহার করাইল । 薄 আহারের ণর মহেন্দ্র পুনরায় নীচের বিছানায় আসিয়া শুইলে, বিনোদিনী শয়রে বসিয়া ধ"র ধীরে তাহার মাথা টিপিয়া দিতে লাগিল। মহেন্দ্র حيb