তীর্থরেণু/'কা বার্ত্তা'

‘কা বার্ত্তা'

জগৎ ঘুরিয়া দেখিনু সকল ঠাঁই,
বিস্বাদ হয়ে গিয়েছে বিশ্ব, পাপের অন্ত নাই!
অতি নির্ব্বোধ, অতি গর্ব্বিত নারী সে গর্ভদাসী,
ভালবেসে তার শ্রান্তি না হয় পূজিতে না আসে হাসি!
লালসা-লোলুপ পুরুষ পেটুক, কঠোর, স্বার্থপর,
বাঁদীর বান্দা, নরকের ধারা, পঙ্কে তাহার ঘর।
উচ্ছ্বাসি’ কাঁদে বলি পশুগুলা, কসায়ের বাড়ে খেলা,
শোণিত-গন্ধি হয় উৎসব যত পড়ে আসে বেলা।
নিষ্ঠা আচারে পাগলামি-পূজা করিছে কতই ভেড়া,
ছুটিতে গেলেই নিয়তি নীরবে উঁচু করে দ্যান্‌ বেড়া;

শেষে ঢেকে দ্যান অগাধ আফিমে, সংজ্ঞা থাকে না আর,
এই তো মোদের সারাজগতের সনাতন সমাচার!

হে প্রিয় মরণ! প্রাচীন নাবিক! নৌকা আনহে তীরে;
দুৰ্ব্বহ মোর হয়েছে জীবন, লও তুলে লও ধীরে।
অজানা অতলে ঝাঁপ দিব আমি, প্রাণ যে নূতন চায়,
স্বর্গ সে হোল্ক অথবা নরক, তাহে কিবা আসে যায়?

বদলেয়ার।