জেমস লঙ সম্পাদিত
(পৃ. ৩৭-৩৯)
◄  
  ►

  1. ঘট্‌কালি করিতে গিয়ে বিয়ে করে এল।
  2. ঘড়িক্‌কে ঘোড়া ছোটে।
  3. ঘণ্টার গরুড়ের মত কণ্ঠাগত প্রাণ।
  4. ঘর থাকিতে বাবুই ভিজে।
  5. ঘর নেই তার মাঝের পাড়া।
    চাউল নেই তার ধুচনি নাড়া॥
  6. ঘর নেই দ্বার বাঁধে, মাগ নেই ছেলের জন্যে কাঁদে॥
  7. ঘর পোড়ার কাঠ।
  8. ঘর বলে নাম হউক, টোকা মাথায় দিয়ে থাকিতে হউক।
  9. ঘর বাসী দ্বার বাসী, গিন্নি করে একাদশী।
  10. ঘর সন্ধানে রাবণ নষ্ট।
  11. ঘরামির ঘর ছেঁদা।
  12. ঘরে ঘরে চুরি, তাইতে প্রাণ ধরি।
  13. ঘরে ছুঁচোর কীর্ত্তন। বাহিরে কোঁচার পত্তন।
  14. ঘরে নাই অষ্টরম্ভা, বাহিরে কোঁচা লম্বা।
  15. ঘরে নাই দশটি পথে পথে ফষ্টি।
  16. ঘরে নাই ফুটোভাঁড়, ছোঁড়ার নাম দুর্গারাম
  17. ঘরে ভাত নাই, চোঁপায় দড়।
  18. ঘরে ভাত নাই, দ্বারে চাঁদোয়া।
  19. ঘরে শাক্‌সিজানা, বাহিরে বাবু আনা, এটা কি লোক জানানা।
  20. ঘরের খুঁটি না থাকিলে, অমনি পড়ে।
  21. ঘরের ঢেঁকি কুমীর।
  22. ঘরের ভাত খেয়ে, বনের মহিষ তাড়ান।
  23. ঘরের ভাত দিয়ে শকুনি পোষে।
    গোয়ালে গরু টাঁকে।
  24. ঘর্ষিলে পাথর জীর্ণ হয়।
  25. ঘাটে গিয়াছে জায়ের মা, দেখে আইল বাঘের পা। সে বলিল আমি শুনিলাম, মরিবর্ত্তি বাঘ দেখিলাম।
  26. ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে আছি।
    কিন্তু কাণ্ডারী নাই।
  27. ঘাটের নৌকা ঘাটে রহিল।
    কাণ্ডারী দূরে পলায়ে গেল॥
  28. ঘাম দিয়া জ্বর ছাড়িয়াছে।
  29. ঘায়েতেই মাছি বসে।
  30. ঘা শুকালে চিহ্ন থাকে।
  31. ঘুঁটে কুড়াইতে গিয়া মহীপালের গীত।
  32. ঘুঁটে পোড়ে, গোবর হাসে।
  33. ঘুঘু দেখছ, ফাঁদ দেখ নাই।
  34. ঘুম নাই যোগীর, আর ঘুম নাই রোগীর।
  35. ঘুমন্ত বাঘকে চিইওনা।
  36. ঘুষ্‌পেলে আমলা তুষ্ট।
  37. ঘোড়া চিনি কাণে, আর দাতা চিনি দানে।
    মানুষ চিনি হাসে। মতি চিনি ভাসে।
  38. ঘোড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাস খাওয়া।
  39. ঘোড়া দেখিলেই খোঁড়া হয়।
  40. ঘোড়া হৈলে চাবুকে আট্‌কে না।
  41. ঘোড়ার খুরে উড়ে গেল, পলাসি পরগণা।
  42. ঘোড়ার গোয়ালে ভেড়া ঢুকিয়াছে।
  43. ঘোড়ার ডিম মৌ আলু।
  44. ঘোড়ার গোয়ালে গো দান।
  45. ঘোমটার ভিতরে খেম্‌টা।
  46. ঘোল খাবেন রামকৃষ্ণ, কড়ি দিবেন কালী।
  47. ঘোল মাগিতে, পিছে ভাঁড়।
  48. ঘোলে অম্বলে করা।