Yuw চোখের বালি ছিল—লে নিজেকে ফুর্তমাত্র আকার তিনা। সেদিন সন্ধ্যাবেলায় বাহির হইবার জো ছিল না । দুপুরবেলায় বৃষ্টি ৰামিয়া আবার বিকাল হইতে বর্ষণ আরম্ভ হইয়াছে। বিহারী তাহার দোতলার বড়ো ঘরে আলো আলিয়া বলিয়া, বসন্তকে লইয়া নিজের নূতন প্রণালীর খেলা করিতেছিল। “বসন্ত এ ঘরে কণ্টা কড়ি আছে চট্‌ করিয়া বলে । না, গুনিতে পাইবে না।” ফল করিয়া খড় খড়ি খুলিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “এ খড় খড়িতে ক'টা পাঙ্ক चांघ् ि?" বলিয়া খড় খড়ি বন্ধ করিয়া দিল । বসন্ত বলিল, “ছয়টা ।” “जिउ ।” ‘এই বেফিট লম্বায় কত হইবে, এই বইটার কত ওজন”—এমনি করিয়া বিহারী বসন্তর ইন্দ্ৰিয়বোধের উৎকর্ষসাধন করিতেছিল, এমন সময় বেহারা আসিয়া কহিল, “বাবুজি, একঠো ঔরং—” কথা শেষ করিতে না করিতে বিনোদিনী ঘরের মধ্যে আসিয়া প্রবেশ করিল। বিহারী আশ্চর্য হইয়া কহিল, “এ কী কাও বেঠিান ।” বিনোদিনী কছিল, “তোমায় এখানে তোমার আত্মীয় স্ত্রীলোক কেহ নাই ?” বিহারী। জাতীয়ও নাই, পরও নাই। পিসি আছেন দেশের বাড়িতে । ৰিনোদিনী । তবে তোমার দেশের বাড়িতে আমাকে লইয়া চলো । बिशचैौ । शै बनिवा नरेशा याऐव । ৰিনোদিনী । দাসী ৰলিয়া । আমি সেখানে স্বরের কাজ কল্পিৰ । विशग्रेौ । निनि किडू चांच्कर्ष हऐरबन, डिनि चांबारक शनैौब्र जडांब ८डी जांनॉन नाएँ । चारणं उनि, ७ ज९कल्ल रकन भएन ऐंठनम्न हऐल - बनड, याe, তইতে যাও । बनड छनिद्रा प्णन । बिटनांशिनौ कहिण, “बाहिरब्बद्ध पध्ना उनिब्रा छूधि छिडtब्रब्र কথা কিছুই বুঝিতে পারিবে না।” बेिशच्चौ । ना"हे बूकिलाश, नाइग्न फूलहे बूकिब, कडि की । বিনোদিনী । আচ্ছা, নাহয় জুলই বুঝিয়ে । মহেক্স আমাকে ভালোবাসে । बिशर्द्रौ । cन थबद्ध cछ मूऊन नद्य, ७श्वर ७बन थबच्च नद्र बांश विउँौञ्च बांद्र उनिरड हेछह कtब्र । ८छांcधंच्च बांजि >82 বিনোদিনী । বারবার শুনাইবার ইচ্ছা আমারও নাই। সেইজন্তই তোমার কাছে জাসিয়াছি, আমাকে আশ্রয় দাও । বিহারী । ইচ্ছা তোমার নাই ! এ বিপত্তি কে ঘটাইল । মহেঞ্জ যে পথে চলিয়াছিল সে পথ হইতে তাহাকে কে ভ্ৰষ্ট করিয়াছে। বিনোদিনী। আমি করিয়াছি। তোমার কাছে লুকাইব না, এ-সমস্তই श्रांभांब्रहे कांज । यांबि भना एहे थां एहे, ७कदांच्च चांभांब्र बरड हद्देब्रां बांभांच्च অন্তরের কথা বুঝিবার চেষ্টা করে। আমার বুকের জালা লইয়া আমি মহেঞ্জের ঘর জালাইয়াছি। একবার মনে হুইয়াছিল আমি মহেন্দ্রকে ভালোবালি, কিন্তু তাহা ভুল । বিহারী । ভালোবাসিলে কি কেহ এমন অগ্নিকাও করিতে পারে। বিনোদিনী । ঠাকুরপো, এ তোমার শাস্ত্রের কথা। এখনো ও-সব কথা শুনিবার মতো মতি আমার হয় নাই। ঠাকুরপো, তোমার পুথি রাখিয়া একবার অন্তৰ্বামীর মতো আমার হৃদয়ের মধ্যে দৃষ্টিপাত করে। আমার ভালোমন্দ সব আজ আমি তোমার কাছে বলিতে চাই । বিহারী । পুথি সাধে খুলিয়া রাখি বোঠান ? হৃদয়কে হৃদয়েরই নিয়মে বুঝিবার তার অন্তর্ধামীরই উপরে থাক, আমরা পুথির বিধান মিলাইয়া না চলিলে শেষকালে যে ঠেকাইতে পারি না। বিনোদিনী । শুন ঠাকুরপো, আমি নির্লজ হইয়া বলিতেছি, তুমি আমাকে ফিরাইতে পারিতে। মহেক্স আমাকে ভালোবাসে বটে, কিন্তু সে নিরেট অঙ্ক, আমাকে কিছুই বোঝে না। একবার মনে হইয়াছিল, তুমি আমাকে যেন বুঝিয়াছ— একবার তুমি আমাকে শ্রদ্ধা করিয়াছিলে– সত্য করিয়া বলে, সে কথা আজ চাপা দিতে চেষ্টা করিয়ো না । - বিহারী । সত্যিই বলিতেছি, আমি তোমাকে শ্রদ্ধা করিয়াছিলাম । বিনোদিনী। স্কুল কর নাই ঠাকুরপো । কিন্তু বুঝিলেই যদি, শ্রদ্ধা করিলেই যদি, তবে সেইখানেই থামিলে কেন । আমাকে ভালোবাসিতে তোমার কী বাধা ছিল । আমি আজ নির্লজ হইয়া তোমার কাছে আসিয়াছি এবং আমি আঙ্গ নির্লজ্জ হইয়াই তোমাকে বলিতেছি— তুমিও জামাকে ভালোবাসিলে না কেন । আমার পোড়া কপাল। তুমিও কিনা আশার ভালোবাসায় মজিলে । না, তুমি রাগ করিতে পাইবে না। বোসে ঠাকুরপে, আমি কোনো কথা ঢাকিয়া বলিব না। তুমি যে আশাকে ভালোবাল সে কথা তুমি যখন নিজে জানিতে না, } (te চোখের বালি তখনো আমি জানিতাম। কিন্তু আশার মধ্যে তোমরা কী দেখিতে পাইয়াছ, আমি কিছুই বুঝিতে পারি না । ভালোই বল আর মন্দই বল, তাহার আছে কী । বিধাতা কি পুরুষের দৃষ্টির সঙ্গে অন্তর্দৃষ্টি কিছুই দেন নাই। তোমরা কী দেখিয়া, কতটুকু দেখিয়া ভোল। নির্বোধ ! অন্ধ ! . বিহারী উঠিয়া দাড়াইয়া কছিল, “আজ তুমি আমাকে যাহা শুনাইবে সমস্তই আমি শুনিব— কিন্তু, যে কথা বলিবার নহে সে কথা বলিয়ে না, তোমার কাছে আমার এই একান্ত মিনতি ।” বিনোদিনী । ঠাকুরপো, কোথায় তোমার ব্যথা লাগিতেছে, তাহা আমি জানি— কিন্তু যাহার শ্রদ্ধা আমি পাইয়াছিলাম এবং যাহার ভালোবাসা পাইলে আমার জীবন সার্থক হইত, তাহার কাছে এই রাত্রে ভয় লজ্জা সমস্ত বিসর্জন দিয়া ছুটির আসিলাম, সে যে কত বড়ে বেদনায় তাহা মনে করিয়া একটু ধৈর্য ধরে । আমি সত্যই বলিতেছি, তুমি যদি আশাকে ভালো না বাসিতে, তবে আমার দ্বারা আশার আজ এমন সর্বনাশ হইত না । বিহারী বিবর্ণ হইয়া কহিল, "আশার কী হইয়াছে। তুমি তাহার কী করিয়াছ ।” বিনোদিনী । মহেন্দ্র তাহার সমস্ত সংসার পরিত্যাগ করিয়া কাল আমাকে লইয়া চলিয়া যাইতে প্রস্তুত হইয়াছে । বিহারী হঠাৎ গর্জন করিয়া উঠিল, “এ কিছুতেই হইতে পারে না । কোনোমতেই না ।” বিনোদিনী । কোনোমতেই না ? মহেন্দ্রকে আজ কে ঠেকাইতে পারে। বিহারী । তুমি পার। বিনোদিনী খানিকক্ষণ চুপ করিয়া রহিল ; তার পরে বিহারীর মুখের দিকে দুই চক্ষু স্থির রাখিয়া কহিল, “ঠেকাইব কাহার জন্য । তোমার আশার জন্য ? আমার নিজের স্থখ দুঃখ কিছুই নাই ? তোমার আশার ভালো হউক, মহেন্দ্রের সংসারের ভালো হউক, এই বলিয়া ইহকালের আমার সকল দাবি মুছিয়া ফেলিব, এত ভালো আমি নই— ধর্মশাস্ত্রের পুথি এত করিয়া আমি পড়ি নাই। আমি যাহা ছাড়িব তাহার বদলে আমি কী পাইব ।” বিহারীর মুখের ভাব ক্রমশ অত্যন্ত কঠিন হইয়া আসিল ; কহিল, “তুমি অনেক স্পষ্ট কথা বলিবার চেষ্টা কম্বিয়াছ, এবার আমিও একটা স্পষ্ট কথা বলি । তুমি আজ যে কাগুটা করিলে এবং ষে কথাগুলা বলিতেছ, ইহার অধিকাংশই চোখের বালি 3G 3 তুমি যে সাহিত্য পড়িয়াছ তাহা হইতে চুরি। ইহার বারে-জানাই নাটক এবং নভেল * বিনোনীি। নাটক ! নভেল ! বিহারী । ই, নাটক, নভেল। তাও খুব উচুদরের নয়। তুমি মনে করিতেছ, এ সমস্ত তোমার নিজের— তাহা নহে। এ-সবই ছাপাখানার প্রতিধ্বনি । যদি তুমি নিতান্ত নিবোধ মূৰ্খ সরলা বালিকা হইতে, তাহ হইলেও সংসারে ভালোবাসা হইতে বধিত হইতে না— কিন্তু নাটকের নায়িকা স্টেজের উপরেই শোভা পায়, ঘরে তাহাকে লইয়া চলে না। কোথায় বিনোদিনীর সেই তীব্র তেজ, দুঃসহ দপ। মাহত ফণিনীর মতো সে স্তন্ধ হইয়া নত হইয়া রহিল। অনেকক্ষণ পরে, বিহারীর মুখের দিকে না চাহিয়া শান্ত নম্র স্বরে কহিল, “তুমি আমাকে কী করিতে বল ।” বিহারী কহিল, “অসাধারণ কিছু করিতে চাহিয়ে না। সাধারণ স্ত্রীলোকের শুভবুদ্ধি যাহা বলে, তাই করে। দেশে চলিয়া যাও।” বিনোদিনী । কেমন করিয়া যাইব । বিহারী । মেয়েদের গাড়িতে তুলিয়া দিয়া আমি তোমাকে তোমাদের স্টেশন পর্যন্ত পৌছাইয়া দিব । বিনোদিনী । আজ রাত্রে তবে আমি এইখানেই থাকি । বিহারী। না, এত বিশ্বাস আমার নিজের পরে নাই । শুনিয়া তৎক্ষণাৎ বিনোদিনী চৌকি হইতে ভূমিতে লুটাইয়া পড়িয়া বিহারীর দুই পা প্রাণপণ বলে বক্ষে চাপিয়া ধরিয়া কহিল, “ঐটুকু দুর্বলতা রাখে। ঠাকুরপো । একেবারে পাথরের দেবতার মতো পবিত্র হইয়ো না । মন্দকে ভালোবাসিয়া একটুখানি মন্দ হও ।” বলিয়া বিনোদিনী বিহারীর পদযুগল বারবার চুম্বন করিল। বিহারী বিনোদিনীর এই আকস্মিক অভাবনীয় ব্যবহারে ক্ষণকালের জন্ত যেন আত্মসংবরণ করিতে পারিল না। তাহার শরীর-মনের সমস্ত গ্রন্থি যেন শিথিল হইয়া আসিল । বিনোদিনী বিহারীর এই স্তব্ধ বিহবল ভাব অনুভব করিয়া তাহার পা ছাড়িয়া দিয়া নিজের দুই হাটুর উপর উন্নত হইয়া উঠিল, এবং চোঁকিতে আলীন বিহারীর গলদেশ বাহুতে বেষ্টন করিয়া বলিল, “জীবনসর্বস্ব, জানি তুমি আমার চিরকালের নও, কিন্তু আজ এক মুহূর্তের জন্য আমাকে ভালোবালো । তার পরে আমি আমাদের সেই বনে জঙ্গলে চলিয়া যাইব, কাহারো কাছে কিছুই চাহিব 》俄令 * চোখের বালি না। মরণ পর্যন্ত মনে রাখিবার মতো আমাকে একটা কিছু দাও।” বলিয়া বিনোদিনী চোখ বুজিয়া তাহার ওষ্ঠাধর বিহারীর কাছে অগ্রসর করিয়া দিল । মুহূর্তকালের জন্য দুইজনে নিশ্চল এবং সমস্ত ঘর নিস্তব্ধ হইয়া রহিল। তাহার পর দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া বিহারী ধীরে ধীরে বিনোদিনীর হাত ছাড়াইয়া লইয়া অন্য চোঁকিতে গিয়া বসিল এবং রুদ্ধপ্রায় কণ্ঠস্বর পরিষ্কার করিয়া লইয়া কহিল, “আজ রাত্রি একটার সময় একটা প্যাসেঞ্জার-ট্রেন আছে ।” বিনোদিনী একটুখানি স্তন্ধ হইয়া রহিল, তাহার পরে অস্ফুটকণ্ঠে কহিল, “সেই ট্রেনেই যাইব ।” এমন সময়, পায়ে জুতা নাই, গায়ে জামা নাই, বসন্ত তাহার পরিপুষ্ট গেীরন্ধন্দর দেহ লইয়া বিহারীর চৌকির কাছে আসিয়া দাড়াইয়া গম্ভীরমুখে বিনোদিনীকে দেখিতে লাগিল । বিহারী জিজ্ঞাসা করিল, “ণ্ডতে যাস নি যে ?” বসন্ত কোনো উত্তর না দিয়া গষ্ঠীরমূখে দাড়াইয়া রহিল । বিনোদিনী দুই হাত বাড়াইয়া দিল । বসন্ত প্রথমে একটু দ্বিধা করিয়া ধীরে ধীরে বিনোদিনীর কাছে গেল। বিনোদিনী তাহাকে দুই হাতে বুকের মধ্যে চাপিয়া ধরিয়া ঝরঝর করিয়া কঁদিতে লাগিল । \5No) যাহা অসম্ভব তাহাও সভব হয়, যাহা অসহ তাহাও সহ হয়, নহিলে মহেঞ্জের সংসারে সে রাত্রি সে দিন কাটিত না । বিনোদিনীকে প্রস্তত হইয়া থাকিতে পরামর্শ দিয়া মহেন্দ্র রাত্রেই একটা পত্র লিখিয়াছিল, সেই পত্র ডাকযোগে সকালে মহেঞ্জের বাড়িতে পৌছিল। আশা তখন শয্যাগত । বেহাৱা চিঠি হাতে করিয়া আসিয়া কহিল, “মাজি, फ़िऐठेि ।” আশার হৃৎপিণ্ডে রক্ত ধৰ্ব্ব করিয়া ঘা দিল । এক পলকের মধ্যে সহস্ৰ আশ্বাস ও আশঙ্কা একসঙ্গে তাছার বক্ষে বাজিয়া উঠিল। তাড়াতাড়ি মাথা তুলিয়া চিঠিখানা লইয়া দেখিল মহেঞ্জের হাতের অক্ষরে বিনোদিনীর নাম। তৎক্ষণাৎ তাহার মাথা বালিশের উপরে পড়িয়া গেল – কোনো কথা না বলিয়া আশা সে চিঠি বেহারার হাতে ফিরাইয়া দিল। বেহার জিজ্ঞাসা করিল, “চিঠি কাহাকে लि८ड एहेब ।*