প্রধান মেনু খুলুন

উইকিসংকলন β

চিত্রাঙ্গদা

চিত্রাঙ্গদা

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


 


 

বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়

২ বঙ্কিম চাটুজ্জে ষ্ট্রীট। কলিকাতা

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক চিত্রভূষিত
প্রথম প্রকাশ : ২৮ ভাদ্র ১২৯৯

‘বিদায়-অভিশাপ’ কাব্যের সহিত যুক্ত
সংস্করণ : ১৬ শ্রাবণ ১৩০১

সত্যপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায় -কর্তৃক প্রকাশিত
কাব্যগ্রন্থাবলী-ভুক্ত সংস্করণ : ১৫ আশ্বিন ১৩০৩

মোহিতচন্দ্র সেন -কর্তৃক সম্পাদিত
কাব্যগ্রন্থ-ভুক্ত সংস্করণ : ১৩১০

হিতবাদী কাৰ্য্যালয় -কর্তৃক প্রকাশিত
রবীন্দ্রগ্রন্থাবলী-ভূক্ত সংস্করণ : ১৩১১

পুনর্‌মুদ্রণ : ১৩১৭

ইণ্ডিয়ান প্রেস -কর্তৃক প্রকাশিত
কাব্যগ্রন্থ-ভুক্ত সংস্করণ : ১৩২২

পুনর্‌মুদ্রণ : ১৩২৯

বিশ্বভারতী -কর্তৃক পুনর্‌মুদ্রণ : ১৩৩৬, ১৩৪১

রবীন্দ্ররচনাবলী-ভুক্ত সংস্করণ : ২৫ বৈশাখ ১৩৪৭

পুনর্‌মুদ্রণ ; আশ্বিন ১৩৪৮, মাঘ ১৩৫১, ফাল্গুন ১৩৫৬
পুনর্‌মুদ্রণ : চৈত্র ১৩৬১

সূচনা

অনেক বছর আগে রেল-গাড়িতে যাচ্ছিলুম শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতার দিকে; তখন বোধ করি চৈত্র মাস হবে। রেল-লাইনের ধারে ধারে আগাছার জঙ্গল। হলদে বেগনি সাদা রঙের ফুল ফুটেছে অজস্র। দেখতে দেখতে এই ভাবনা এল মনে, যে, আর কিছুকাল পরেই রৌদ্র হবে প্রখর, ফুলগুলি তার রঙের মরীচিকা নিয়ে যাবে মিলিয়ে; তখন পল্লীপ্রাঙ্গণে আম ধরবে গাছের ডালে ডালে, তরুপ্রকৃতি তার অন্তরের নিগূঢ় রসসঞ্চয়ের স্থায়ী পরিচয় দেবে আপন অপ্রগল্‌ভ ফলসম্ভারে। সেই সঙ্গে কেন জানি হঠাৎ আমার মনে হল, সুন্দরী যুবতী যদি অনুভব করে যে সে তার যৌবনের মায়া দিয়ে প্রেমিকের হৃদয় ভুলিয়েছে, তা হলে সে তার সুরূপকেই আপন সৌভাগ্যের মুখ্য অংশে ভাগ বসাবার অভিযোগে সতিন বলে ধিক্কার দিতে পারে। এ যে তার বাইরের জিনিস, এ যেন ঋতুরাজ বসন্তের কাছ থেকে পাওয়া বর, ক্ষণিক মোহবিস্তারের দ্বারা জৈব উদ্দেশ্য সিদ্ধ করবার জন্যে। যদি তার অন্তরের মধ্যে যথার্থ চারিত্রশক্তি থাকে তবে সেই মোহমুক্ত শক্তির দানই তার প্রেমিকের পক্ষে মহৎ লাভ, যুগলজীবনের জয়যাত্রার সহায়। সেই দানেই আত্মার স্থায়ী পরিচয়; এর পরিণামে ক্লান্তি নেই, অবসাদ নেই, অভ্যাসের ধূলিপ্রলেপে উজ্জ্বলতার মালিন্য নেই। এই চারিত্রশক্তি জীবনের ধ্রুব সম্বল, নির্মম প্রকৃতির আশু প্রয়োজনের প্রতি তার নির্ভর নয়। অর্থাৎ, এর মূল্য মানবিক, এ নয় প্রাকৃতিক।

 এই ভাবটাকে নাট্য আকারে প্রকাশ -ইচ্ছা তখনই মনে এল; সেই সঙ্গেই মনে পড়ল মহাভারতের চিত্রাঙ্গদার কাহিনী। এই কাহিনীটি কিছু রূপান্তর নিয়ে অনেক দিন আমার মনের মধ্যে প্রচ্ছন্ন ছিল। অবশেষে লেখবার আনন্দিত অবকাশ পাওয়া গেল উড়িষ্যায় পাণ্ডুয়া বলে একটি নিভৃত পল্লীতে গিয়ে।

রবীন্দ্র-রচনাবলী
বৈশাখ ১৩৪৭
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 

উৎসর্গ
স্নেহাস্পদ শ্রীমান অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পরমকল্যাণীয়েষু

বৎস,

 তুমি আমাকে তোমার যত্নরচিত চিত্রগুলি উপহার দিয়াছ, আমি তোমাকে আমার কাব্য এবং স্নেহ-আশীর্বাদ দিলাম।

১৫ শ্রাবণ ১২৯৯

মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী
শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


 

 

কটক
২৮ ভাদ্র ১২৯৮

 

 


প্রকাশক শ্রীপুলিনবিহারী সেন
বিশ্বভারতী। ৬৷৩ দ্বারকানাথ ঠাকুর লেন। কলিকাতা

মুদ্রাকর শ্রীদেবেন্দ্রনাথ বাগ
ব্রাহ্মমিশন প্রেস। ২১১ কর্নওয়ালিস স্ট্রীট। কলিকাতা

 

পরিচ্ছেদসমূহ (মূল গ্রন্থে নেই)

সূচীপত্র

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০১৭ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৫৭ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।