নির্ঘণ্ট:রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ.pdf

নামরূপসী বাংলা  উইকিউপাত্তে দেখুন ও সম্পাদনা করুন
লেখকজীবনানন্দ দাশ
অঙ্কনশিল্পীসত্যজিৎ রায়
প্রকাশকসিগনেট প্রেস
প্রকাশস্থানকলকাতা
প্রকাশসাল১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ)
উৎস
প্রগতিসব পাতার মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি

বইয়ের পাতাগুলি

প্রথম পংক্তির সূচী

সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি—
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও—আমি এই বাংলার পারে ১১
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর র‍ূপ ১২
যত দিন বেঁচে আছি আকাশ চলিয়া গেছে কোথায় আকাশে ১৩
এক দিন জলসিড়ি নদীটির পারে এই বাংলার মাঠে ১৪
আকাশে সাতটি তারা যখন উঠেছে ফুটে আমি এই ঘাসে ১৫
কোথাও দেখি নি, আহা, এমন বিজন ঘাস—প্রান্তরের পারে ১৬
হায় পাখি, একদিন কালীদহে ছিলে না কি—দহের বাতাসে ১৭
জীবন অথবা মৃত্যু চোখে র’বে—আর এই বাংলার ঘাস ১৮
যেদিন সরিয়া যাব তোমাদের কাছ থেকে—দূর কুয়াশায় ১৯
পৃথিবী রয়েছে ব্যস্ত কোনখানে সফলতা শক্তির ভিতর, ২০
ঘুমায়ে পড়িব আমি একদিন তোমাদের নক্ষত্রের রাতে ২১
ঘুমায়ে পড়িব আমি একদিন তোমাদের নক্ষত্রের রাতে; ২২
যখন মৃত্যুর ঘুমে শ‍ুয়ে র’ব—অন্ধকারে নক্ষত্রের নিচে ২৩
আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায় ২৪
যদি আমি ঝ’রে যাই একদিন কার্তিকের নীল কুয়াশায়: ২৫
মনে হয় একদিন আকাশের শ‍ুকতারা দেখিব না আর ২৬
যে শালিখ মরে যায় কুয়াশায়—সে তো আর ফিরে নাহি আসে: ২৭
কোথাও চলিয়া যাব একদিন;—তারপর রাত্রির আকাশ ২৮
তোমার বুকের থেকে একদিন চ’লে যাবে তোমার সন্তান ২৯
গোলপাতা ছাউনির বুক চুমে নীল ধোঁয়া সকালে সন্ধ্যায় ৩০
অশ্বত্থে সন্ধ্যার হাওয়া যখন লেগেছে নীল বাংলার বনে ৩১
ভিজে হয়ে আসে মেঘে এ-দুপুর—চিল একা নদীটির পাশে ৩২
খুঁজে তারে মর মিছে—পাড়াগাঁর পথে তারে পাবে নাকো আর; ৩৩
পাড়াগাঁর দু’-পহর ভালোবাসি—রৌদ্রে যেন গন্ধ লেগে আছে ৩৪
কখন সোনার রোদ নিভে গেছে—অবিরল শুপুরির সারি ৩৫
এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে—সব চেয়ে সুন্দর করুণ: ৩৬
কত ভোরে—দু’-পহরে—সন্ধ্যায় দেখি নীল শুপুরির বন ৩৭
এই ডাঙা ছেড়ে হায় রূপ কে খুঁজিতে যায় পৃথিবীর পথে। ৩৮
এখানে আকাশ নীল—নীলাভ আকাশ জুড়ে সজিনার ফুল ৩৯
কোথাও মঠের কাছে—যেইখানে ভাঙা মঠ নীল হয়ে আছে ৪০
চ’লে যাব শুকনো পাতা-ছাওয়া ঘাসে—জামরুলে হিজলের বনে; ৪১
এখানে ঘুঘুর ডাকে অপরাহ্ণে শান্তি আসে মানুষের মনে; ৪২
শ্মশানের দেশে তুমি আসিয়াছ—বহুকাল গেয়ে গেছ গান ৪৩
তবু তাহা ভুল জানি, রাজবল্লভের কীর্তি ভাঙে কীর্তিনাশা; ৪৪
সোনার খাঁচার বুকে রহিব না আমি আর শুকের মতন; ৪৫
কত দিন সন্ধ্যার অন্ধকারে মিলিয়াছি আমরা দু’জনে; ৪৬
এ-সব কবিতা আমি যখন লিখেছি ব’সে নিজ মনে একা; ৪৭
কত দিন তুমি আর আমি এসে এইখানে বসিয়াছি ঘরের ভিতর ৪৮
এখানে প্রাণের স্রোত আসে যায়—সন্ধ্যায় ঘুমায় নীরবে ৪৯
একদিন যদি আমি কোনো দূর মান্দ্রাজের সমুদ্রের জলে ৫০
দূর পৃথিবীর গন্ধে ভ’রে ওঠে আমার এ বাঙালীর মন ৫১
অশ্বত্থ বটের পথে অনেক হয়েছি আমি তোমাদের সাথী; ৫২
ঘাসের বুকের থেকে কবে আমি পেয়েছি যে আমার শরীর— ৫৩
এই জল ভালো লাগে;—বৃষ্টির র‍ূপালি জল কত দিন এসে ৫৪
একদিন পৃথিবীর পথে আমি ফলিয়াছি; আমার শরীর ৫৫
পৃথিবীর পথে আমি বহ‍ুদিন বাস ক’রে হৃদরের নরম কাতর ৫৬
মানুষের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি পৃথিবীর পথে এসে—হাসির আস্বাদ ৫৭
তুমি কেন বহ‍ু দূরে—ঢের দূরে—আরো দূরে—নক্ষত্রের অস্পষ্ট আকাশ, ৫৮
আমাদের র‍ূঢ় কথা শ‍ুনে তুমি স’রে যাও আরো দূরে বুঝি নীলাকাশ; ৫৯
এই পৃথিবীতে আমি অবসর নিয়ে শ‍ুধু আসিয়াছি—আমি হৃষ্ট কবি ৬০
বাতাসে ধানের শব্দ শ‍ুনিয়াছি—ঝরিতেছে ধীরে ধীরে অপরাহ্ণ ভ’রে; ৬১
একদিন এই দেহ ঘাস থেকে ধানের আঘ্রাণ থেকে এই বাংলার ৬২
আজ তারা কই সব? ওখানে হিজল গাছ ছিল এক—পুকুরের জলে ৬৩
হৃদয়ে প্রেমের দিন কখন যে শেষ হয়—চিতা শ‍ুধু প’ড়ে থাকে তার, ৬৪
কোনোদিন দেখিব না তারে আমি; হেমন্তে পাকিবে ধান, আষাঢ়ের রাতে ৬৫
ঘাসের ভিতরে যেই চড়ায়ের শাদা ডিম ভেঙে আছে—আমি ভালোবাসি ৬৬
(এই সব ভালো লাগে): জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালি রোদ এসে ৬৭
সন্ধ্যা হয়—চারিদিকে শান্ত নীরবতা; ৬৮
একদিন কুয়াশার এই মাঠে আমারে পাবে না কেউ খুঁজে আর, জানি; ৬৯
ভেবে ভেবে ব্যথা পাব;—মনে হবে, পৃথিবীর পথে যদি থাকিতাম বেঁচে ৭০