সেঁজুতি

 

 

সেঁজুতি

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 


 

বিশ্বভারতী গ্রন্থন-বিভাগ

২১০ কর্নওআলিস স্ট্রীট, কলিকাতা

প্রকাশক—শ্ৰীকিশোরীমোহন সাঁতরা।


 

সেঁজুতি

 

 

প্রথম সংস্করণ   ভাদ্র, ১৩৪৫ সাল।

 

 

মূল্য—এক টাকা।

 

শান্তিনিকেতন প্রেস, শাস্তিনিকেতন, (বীরভূম)।

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় কর্তৃক মুদ্রিত।

উৎসর্গ

ডাক্তার সার নীলরতন সরকার
বন্ধুবরেষু-

অন্ধ তামস গহ্বর হতে
ফিরিনু সূর্যালােকে।
বিস্মিত হয়ে আপনার পানে
হেরিনু নূতন চোখে।
মর্ত্যের প্রাণ-রঙ্গভূমিতে
যে-চেতনা সারারাতি
সুখ দুঃখের নাট্যলীলায়
জ্বেলে রেখেছিল বাতি
সে আজি কোথায় নিয়ে যেতে চায়
অচিহ্নিতের পারে,
নব প্রভাতের উদয়সীমায়
অরূপলােকের দ্বারে।
আলো আঁধারের ফাঁকে দেখা যায়
অজানা তীরের বাসা,
ঝিমিঝিমি করে শিরায় শিরায়
দূর নীলিমার ভাষা॥

সে ভাষার আমি চরম অর্থ
জানি কিবা নাহি জানি,
ছন্দের ডালি সাজানু তা দিয়ে,
তােমারে দিলাম আনি’।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শান্তিনিকেতন
১ শ্রাবণ, ১৩৪৫


সূচী
জন্মদিন আজ মম জন্মদিন
পত্রোত্তর চির প্রশ্নের বেদী-সম্মুখে
যাবার মুখে যাক্‌ এ জীবন ১২
অমর্ত্য আমার মনে একটুও নেই বৈকুণ্ঠের আশা ১৬
পলায়নী যে পলায়নের অসীম তরণী ১৮
স্মরণ যখন রবো না আমি মর্ত্যকায়ায় ২২
সন্ধ্যা চলেছিল সারা প্রহর ২৫
ভাগীরথী পূর্বযুগে, ভাগীরথী, তোমার চরণে দিল আনি ২৮
তীর্থযাত্রিণী তীর্থের যাত্রিণী ও যে ৩১
নতুন কাল কোন্‌ সে কালের কণ্ঠ হতে এসেছে এই স্বর ৩৪
চলতি ছবি রোদ্দুরেতে ঝাপসা দেখায় ৩৮
ঘর ছাড়া তখন একটা রাত ৪২
জন্মদিন দৃষ্টিজালে জড়ায় ওকে হাজারখানা চোখ ৪৬
প্রাণের দান অব্যক্তের অন্তঃপুরে উঠেছিলে জেগে ৪৯
নিঃশেষ শরৎ বেলার বিত্তবিহীন মেঘ ৫০
প্রতীক্ষা অসীম আকাশে মহাতপম্বী ৫১
পরিচয় একদিন তরীখানা থেমেছিল ৫৩
পালের নৌকা তীরের পানে চেয়ে থাকি ৫৬
চলাচল ওরা তো সব পথের মানুষ ৫৮
মায়া করেছিনু যত সুরের সাধন ৫৯
গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর রেখার রঙের তীর হতে তীরে ৬১
ছুটি আমার ছুটি আসছে কাছে ৬২